Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: জম্মু ও কাশ্মীরজুড়ে বেআইনিভাবে বসবাসকারী প্রায় ১৫ হাজার অনুপ্রবেশকারীকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে বলে সূত্রের দাবি (Jammu Kashmir)। তাঁদের মধ্যে বাংলাদেশি, রোহিঙ্গা এবং অন্য দেশের নাগরিকও রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এই তালিকার মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় ৬০০ জন বাংলাদেশিকে চিহ্নিত করেছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি।
শ্রমিকের ছদ্মবেশে ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ (Jammu Kashmir)
গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, চিহ্নিতদের অনেকেই শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। কেউ কেউ দোকান, হোটেল বা রেস্তোরাঁয় কাজের মাধ্যমে স্থানীয় এলাকায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেন। অভিযোগ, দালালচক্রের মাধ্যমে সীমান্ত পেরিয়ে প্রথমে বাংলায় এবং পরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তাঁদের ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তাঁদের একটি অংশকে জম্মু ও কাশ্মীরেও নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে গোয়েন্দাদের দাবি।
জঙ্গি যোগাযোগের আশঙ্কায় বাড়ছে নজরদারি (Jammu Kashmir)
গোয়েন্দাদের একাংশের আশঙ্কা, অনুপ্রবেশকারীদের ভিড়ে বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠনের সদস্য কিংবা জঙ্গিদের দ্বারা প্রভাবিত কিছু রোহিঙ্গাও প্রবেশ করে থাকতে পারে। শ্রমিকের পরিচয় আড়াল করে তাঁদের কেউ কেউ পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে দেশবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই সূত্রেই পরিচয় ও নথিপত্র যাচাইয়ের কাজ শুরু হয় বলে জানা গিয়েছে।
১৫০ জনকে বিমানে বাংলায় আনার দাবি (Jammu Kashmir)
সূত্রের খবর, শনাক্ত ৬০০ বাংলাদেশির মধ্যে প্রথম দফায় প্রায় ১৫০ জনকে বায়ুসেনার বিমানে করে বাংলায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁদের বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামানোর পর বিএসএফের নিরাপত্তায় সড়কপথে সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি। এরপর তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
চ্যাংরাবান্ধা থেকে হিলি, নজরে একাধিক সীমান্ত (Jammu Kashmir)
প্রথম দফায় চ্যাংরাবান্ধা, হিলি ও মালদহ সীমান্ত ব্যবহার করে তাঁদের বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি। বৃহস্পতিবারের মধ্যে আরও প্রায় ১৫০ জনকে বাংলায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। পরবর্তী দুই দফায় বাকি ৩০০ জনকেও নিয়ে এসে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে।
আরও পড়ুন: Suvendu on Mamata: মমতার পায়ে “ভুয়ো” চোট, তদন্তের দাবি শুভেন্দুর
দালালচক্রের সন্ধানে তদন্ত
পুরো প্রক্রিয়ার পাশাপাশি অনুপ্রবেশে সাহায্য করা দালালচক্রের সন্ধানেও তদন্ত চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা। কীভাবে সীমান্ত পেরিয়ে তাঁদের দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল, কারা তাঁদের নথিপত্র বা পরিচয় তৈরিতে সাহায্য করেছিল এবং জম্মু-কাশ্মীরে তাঁদের গতিবিধি কী ছিল—সবই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে ১৫ হাজারের সংখ্যা, সংশ্লিষ্টদের পরিচয় এবং প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া নিয়ে সরকারি ভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত গোয়েন্দা সূত্রের দাবিগুলিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।



