Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চোরবাগান সর্বজনীনের মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনার পর প্রতিমা বিসর্জনকে ঘিরে নিরাপত্তায় কোনও ফাঁক রাখতে চাইছে না প্রশাসন (Kolkata Police)। বুধবার বাবুঘাট-সহ একাধিক এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুলিশ ও এনডিআরএফের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি জলপথে ঘাটগুলির পরিস্থিতিও পরিদর্শন করেন তিনি।
গঙ্গার ঘাটে ঘাটে পুলিশি নজরদারি (Kolkata Police)
প্রশাসনের তরফে কলকাতার ২৮টি গঙ্গার ঘাট, আদিগঙ্গার পাঁচটি ঘাট এবং ৩৪টি জলাশয় ও সরোবরে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শহরের প্রায় ২০০টি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলেও মোতায়েন রয়েছে পুলিশ। বিসর্জনের নিরাপত্তা তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ১৮ জন আইপিএস আধিকারিককে। কলকাতায় ১২ জন এবং হাওড়া, বারাকপুর ও চন্দননগরে দু’জন করে আধিকারিক দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।
ক্রেন নয়, প্রতিমাকে সম্মান দিয়ে বিদায় (Kolkata Police)
এবারের বিসর্জনে অন্যতম বড় পরিবর্তন ক্রেনের ব্যবহার বন্ধ রাখা। ক্রেনে প্রতিমা তোলার সময় প্রতিমা ভেঙে যাওয়ার একাধিক ঘটনা অতীতে দেখা গিয়েছে। তাই এবার ক্রেনের পরিবর্তে ঘাটগুলিতে অতিরিক্ত ট্রলি ও কুলি রাখা হয়েছে। নিমতলায় ন’টি এবং বাবুঘাটে ১২টি ট্রলি রাখা হয়েছে। প্রায় ৩০০ জন কুলিকে রাখা হয়েছে কাঠামো দ্রুত সরানো এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণের কাজে।
জলপথেও কড়া নজর, প্রস্তুত লাইফ সেভিং নৌকা
দুর্ঘটনা এড়াতে ২৫টি লাইফ সেভিং নৌকা চালানো হবে। ঘাটগুলিতে মোতায়েন রয়েছে এনডিআরএফের দল। জলপথেও চলবে বিশেষ নজরদারি। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুরসভার অ্যাম্বুল্যান্সও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ২১ থেকে ২৪ অক্টোবর প্রতিদিন বিকেল ৪টে থেকে ঘাটগুলিতে বিশেষ পুলিশি তৎপরতা থাকবে।
আরও পড়ুন: Manipur Crisis: ফের উত্তপ্ত মণিপুর, গুলিতে কুকি-জো যুবকের মৃত্যু! বাড়িতে আগুন, বাড়ছে আতঙ্ক
একাদশীতেও চলবে নিরঞ্জন
এবার মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে একাদশীর দিনও প্রতিমা নিরঞ্জন চলবে। প্রশাসনের বার্তা জেলাগুলিতেও পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। টাকির বিসর্জন নিয়েও বিশেষ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গঙ্গায় ৬০৪টি প্রতিমার নিরঞ্জন সম্পন্ন হয়েছে।



