Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দুর্গাপুজোর প্রতিমা বিসর্জনের দ্বিতীয় দিনেও কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় যান চলাচল এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কড়া নজরদারি চালাল ট্রাফিক বিভাগ (Kolkata Traffic)। ২২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মোট ২৮৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ডিভিশন থেকে মোট ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে প্রকাশিত পরিসংখ্যানে উল্লেখ করা হয়েছে।
হেলমেট ছাড়া গাড়ি চালানোতেই সর্বাধিক মামলা (Kolkata Traffic)
বিসর্জনের দিনগুলিতে রাস্তায় বাড়তি ভিড় থাকায় ট্রাফিক নিয়ম ভাঙার প্রবণতাও নজরে আসে। প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, ওই দিনের ২৮৫টি মামলার মধ্যে সর্বাধিক ৯১টি মামলা হয়েছে হেলমেট ছাড়া গাড়ি চালানোর অভিযোগে। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে মোটরবাইক চালক ও আরোহীদের হেলমেট ব্যবহারে বারবার সচেতন করা হলেও নিয়ম ভাঙার ছবি ধরা পড়েছে অভিযানে।
বেপরোয়া গাড়ি চালানোতেও কড়া পদক্ষেপ (Kolkata Traffic)
দ্রুত গতিতে বা বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালানোর অভিযোগেও যথেষ্ট সংখ্যক মামলা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে মোট ৫৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিসর্জনের সময় রাস্তায় মানুষের চাপ অনেকটাই বেড়ে যাওয়ায় বেপরোয়া গাড়ি চালানো যে বড়সড় বিপদের কারণ হতে পারে, সেই বিষয়েই নজর দিয়েছে ট্রাফিক বিভাগ।
মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোয় ৫৬ মামলা (Kolkata Traffic)
ট্রাফিক পুলিশের অভিযানে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগে ৫৬টি মামলা হয়েছে। উৎসবের আবহে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে যাতে দুর্ঘটনা না ঘটে, তার জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় নজরদারি চালানো হয়। একই সঙ্গে ট্রিপল রাইডিংয়ের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগে ৩৫টি মামলা করা হয়েছে।
আরও ৪৫টি মামলায় ধরা পড়ল অন্যান্য অনিয়ম (Kolkata Traffic)
উল্লিখিত অপরাধগুলির পাশাপাশি অন্যান্য ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনাতেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই বিভাগে মোট ৪৫টি মামলা দায়ের হয়েছে। সব মিলিয়ে একদিনেই ২৮৫টি মামলা হওয়া থেকে স্পষ্ট, বিসর্জনের ভিড়ে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও সড়ক নিরাপত্তাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছে প্রশাসন।
আরও পড়ুন: Manipur Crisis: ফের উত্তপ্ত মণিপুর, গুলিতে কুকি-জো যুবকের মৃত্যু! বাড়িতে আগুন, বাড়ছে আতঙ্ক
৪৩ গ্রেপ্তার, বেআইনি মদ বাজেয়াপ্ত শূন্য
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের মামলার পাশাপাশি বিভিন্ন ডিভিশনে মোট ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে প্রকাশিত রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই দিনে বিভিন্ন ডিভিশনে বেআইনি মদ বাজেয়াপ্তের সংখ্যা শূন্য। বিসর্জন পর্বে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে নজরদারি এবং আইনভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ—দুই দিকেই প্রশাসনের সক্রিয়তা দেখা গিয়েছে।



