Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গত বছর নভেম্বর মাসে বিশ্বকাপ জিতেছিল হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বে ভারতীয় দল। সেই দলের অন্যতম সদস্য ক্রান্তি গৌড় (Kranti Gaud)।
চাকরি ফিরে পেলেন ক্রান্তির বাবা (Kranti Gaud)
মেয়ের হাত ধরেই হারান চাকরি ফিরে পেলেন বাবা। মুন্না সিং। ভারতীয় মহিলা দলের অন্যতম সদস্য ক্রান্তি গৌড়ের বাবা তিনি। কাজ করতেন পুলিশের কনস্টেবল পদে। ২০১২ সালে সেই চাকরি চলে গিয়েছিল তাঁর। মেয়ে বিশ্বকাপ জেতার পর সেই চাকরি সম্মানের সঙ্গে ফিরে পেলেন তিনি (Kranti Gaud)।
গত বছর মেয়েদের বিশ্বকাপে জয় ছিনিয়ে আনেন স্মৃতিরা। দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণ হয় ২০২৫ সালে। সেই দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ক্রান্তি গৌড়ের বাবাকে কনস্টেবলের চাকরিতে আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে। মধ্যপ্রদেশের ক্রীড়ামন্ত্রী বিশ্বাস সারাং জানিয়েছেন, ‘পুলিশের চাকরিতে ফের যোগ দিতে পারবেন ক্রান্তির বাবা মুন্না সিং।’ ২০১২ সালে তাঁকে কনস্টেবেলের চাকরি থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল।
মধ্যপ্রদেশের ক্রীড়ামন্ত্রী এই সুখবর জানিয়েছেন। মুন্না সিংকে নির্বাচনের কাজে গাফিলতির অভিযোগে ২০১২ সালে সাসপেন্ড করা হয়। এতদিন ধরে বিষয়টি এই ভাবেই ছিল কিন্তু ভাগ্যের চাকা ঘুরল মেয়ে বিশ্বকাপ জেতার পরেই। মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের উদ্যোগে অবশেষে বিষয়টির সমাধানসূত্র বেরিয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে মধ্যপ্রদেশ পুলিশের হেড কোয়ার্টার থেকে মুন্না সিংকে কাজে যোগদানের কথা বলা হয়েছে। তাঁর চাকরির পর সংসার চালাতে তাঁকে বাস কন্ডাক্টরের চাকরিও করতে হয়েছে। সেই লড়াইয়ের মূল্য দিয়েছেন তাঁর মেয়ে ক্রান্তি। বিশ্বকাপে ৮ ম্যাচে ৯ উইকেটে নিয়েছেন তিনি। ক্রান্তিকে সংবর্ধনা দেওয়ার সময় মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব বলেন, ‘আপনার পরিবারের অসুবিধার কথা জানতে পেরেছি। রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করার নিয়ম রয়েছে। আমরা নিয়ম অনুসারে আপনার বাবার চাকরি পুনর্বহাল করব।’ সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করল সরকার।
আরও পড়ুন: Abhishek Banerjee: বেঁচে থেকেও মৃত! অভিষেকের প্রশ্নের চাপে ভুল স্বীকার কমিশনের
ক্রান্তির বাবার চাকরি ফেরার খবর জানিয়ে মধ্যপ্রদেশের ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, ‘এই পদক্ষেপে ওই পরিবারে স্বস্তি ফিরবে। এই সরকার যে অ্যাথলিটদের প্রতি সম্মান করে, এটা তারই উদাহরণ। ক্রান্তির স্বপ্ন ছিল, উর্দি পরে সসম্মানে অবসর নেবেন তাঁর বাবা। সেই স্বপ্নও পূরণ হবে এবার (Kranti Gaud)।’


