Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কলকাতার লেক টাউনে বিশ্বের সর্বোচ্চ ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির (Lionel Messi Statue) ৭০ ফুট উঁচু মূর্তি নির্মাণ করা হয়েছে, যা শুধু ভারতের নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও নজিরবিহীন। মেসির কলকাতা সফরকে স্মরণীয় করে রাখতেই এই উদ্যোগ নিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী এবং বিধায়ক সুজিত বসু। লেক টাউনের বিগ বেনের পাশের এলাকায় মূর্তিটি স্থাপন করা হয়েছে, আর এর পাশেই রয়েছে ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো মারাদোনার মূর্তি, যেটি উন্মোচন করেছিলেন মারাদোনা নিজেই।
নিজ হাতে মূর্তি উন্মোচনের কথা (Lionel Messi Statue)
প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, মেসি সরাসরি (Lionel Messi Statue) লেক টাউনে এসে নিজ হাতে মূর্তির উন্মোচন করবেন। কিন্তু নিরাপত্তাজনিত কারণে সেই সম্ভাবনা বাস্তবায়িত হয়নি। তবে তিনি হতাশ হননি এবং শেষ পর্যন্ত মূর্তির উন্মোচন ভার্চুয়ালি সম্পন্ন করেন। শনিবার সকালে মূর্তির পাশে ভিড় জমে যায়, ফুটবলপ্রেমী ও ভক্তদের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। যদিও মেসি সশরীরে উপস্থিত ছিলেন না, তবুও তারকা ফুটবলারের ভার্চুয়াল উপস্থিতি ভক্তদের আনন্দকে কমিয়ে দিতে পারেনি।

ভক্তদের উচ্ছ্বাস (Lionel Messi Statue)
সকাল ১০টা নাগাদ মেসি বাইপাস সংলগ্ন হোটেল থেকে (Lionel Messi Statue) ভার্চুয়ালি মূর্তির উন্মোচন করেন। এই সময় কলকাতার উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য রদ্রিগো দি পল এবং উরুগুয়ের তারকা লুইস সুয়ারেজও মেসির সঙ্গে কলকাতায় উপস্থিত ছিলেন। ভক্তদের উচ্ছ্বাস এবং মূর্তির সামনে জমে থাকা মানুষের ঢল দেখে তাঁরাও আনন্দিত ছিলেন।
মূর্তির নির্মাণের দায়িত্ব
মূর্তির নির্মাণের দায়িত্ব নিয়েছে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব। ৪০ দিনের মধ্যে শিল্পী মন্টি পাল এই মূর্তিটি তৈরি করেছেন। ফাইবারগ্লাসের তৈরি মূর্তির পায়ের অংশে ২০ টনের লোহার রড লাগিয়ে তা আরও মজবুত করা হয়েছে। মূর্তিতে দেখা যাচ্ছে, মেসির হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি ধরে রাখা হয়েছে।
মূর্তিটি নির্মাণে বিতর্ক
যদিও মূর্তিটি নির্মাণের উদ্দেশ্য খণ্ডনীয়, বিতর্কও তৈরি হয়েছে। অনেক ভক্ত এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা মূর্তিকে মেসির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ মনে করেননি। অভিনেতা ঋত্বিক চট্টোপাধ্যায় ফেসবুকে লিখেছেন, মূর্তিটি দেখে মনে হয়েছে যেন হৃতিক রোশনকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। অনেকে মন্তব্য করেছেন, ভাগ্যিস মেসি নিজে মূর্তিটি দেখেননি, না হলে হয়তো নিজেকে চিনতেও পারতেন না।

আরও পড়ুন: Lionel Messi: মেসিকে নয় অরূপ বিশ্বাসকে দেখতে পেলাম: ক্ষোভ প্রকাশ ভক্তের…
উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, মূর্তি নির্মাণের মূল লক্ষ্য হচ্ছে মেসির প্রতি শ্রদ্ধা এবং কলকাতার ফুটবল সংস্কৃতিকে উৎসাহ দেওয়া। এত বড় মূর্তি তৈরি করা সহজ কাজ নয়। তারা মনে করেন, ভক্তদের আনন্দ এবং শহরের ইতিহাসে মেসির স্মৃতি ধরে রাখাই প্রধান লক্ষ্য। এর মাধ্যমে কলকাতার ফুটবল প্রেমীদের জন্য একটি নতুন স্থায়ী স্মারক তৈরি হয়েছে, যা বহু বছর ধরে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।


