Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চতুর্দিকে কয়েকশো বাজির সম্ভার। থিকথিক করছে ক্রেতাদের ভিড়। কালীপুজোর আগে এরকমই এক ছবি ধরা পরে চম্পাহাটির বাজির বাজারে (Firecrackers Market)। যদিও এবার চিত্রটা কিছুটা আলাদা। বাজারে ভিড় থাকলেও ব্যবসায় উন্নতি নেই বিক্রেতাদের। অতিরিক্ত পুলিশি নজরদারি, বৃষ্টির প্রকোপ ও প্রশাসনিক কড়াকড়িতে বিপাকে পড়েছেন ক্ষুদ্র বাজি ব্যবসায়ীরা। দীপাবলির রোশনাইয়ের মাঝে চিন্তার ভাঁজ চম্পাহাটির বাজির বাজারে।
দীপাবলির আমেজে মেতে উঠতে আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা। ইতিমধ্যেই আলোর উৎসবে সেজে উঠেছে শহরের অলি-গলি। আলোয় আলোয় সেজেছে বাড়ি-ঘর..। কোথাও প্রদীপ, কোথাও টুনি বাল্ব। বাজারেও ধীরে ধীরে উঁকি দিচ্ছে হরেক রকমের বাজি। আর বাজির বাজার বললেই সর্বপ্রথম মাথায় আসে চম্পাহাটি। কলকাতা থেকে ঘণ্টাখানেকের দূরত্বে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার এই বাজারে (Firecrackers Market) রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভিড় করেন ক্রেতারা, ন্যায্য মূল্যে বাজি কিনতে। যা শহরের বাজারের তুলনায় অনেকটাই দাম কম, বলেই জানাচ্ছেন ক্রেতারা।
চম্পাহাটি বাজারে মন্দার ছায়া (Firecrackers Market)
তবে এবারের চম্পাহাটি বাজারের চিত্র একটু ভিন্ন। উৎসবের রঙে রঙিন হলেও, ব্যবসায় মন্দার ছায়া স্পষ্ট। চম্পাহাটির কুটির শিল্পের সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে বহু মানুষের জীবন-জীবিকা। ছোট ছোট ঘরেই তৈরি হয় আতসবাজি, রকেট, চরকি। তবে ইদানিং কালে সেই কুটির শিল্পেই ধস নেমেছে বলে জানাচ্ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
আরও পড়ুন:Kali Puja: কালীপুজোর প্রস্তুতিতে ব্যস্ত কুমোরটুলি, টানা বৃষ্টিতে চিন্তায় মৃৎশিল্পীরা
বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় এবারে বিক্রি অনেকটাই কম। এর পেছনে রয়েছে একাধিক কারণ। প্রথমত, টানা বৃষ্টি। যার প্রভাব পড়েছে বাজি তৈরির কাজে। দ্বিতীয়ত, অতিরিক্ত পুলিশি তৎপরতায় রাস্তায় বাজি বহন করাও হয়ে দাঁড়িয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ।
‘সবুজ বাজি’র সম্ভার (Firecrackers Market)
আনন্দের প্রহরেও পরিবেশ-সচেতনদের প্রথম ভরসা গ্রিন ক্র্যাকার বা সবুজ বাজিই। এবার তাই-ই বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে চম্পাহাটির বাজির বাজারে। দোকানে ‘সবুজ বাজি’র পসরা সাজালেও, ক্রেতা কোথায়? বিক্রেতারা বলছেন, অনান্য বাজির তুলনায় অনেকটাই দাম বেশি গ্রিন ক্র্যাকার্সের। যার জন্য চাহিদাও কম।

আরও পড়ুন:Kolkata Weather Update: বৃষ্টি থামল! তবে কি এবার শীতের কড়া নাড়া?
নিরাপত্তায় কড়াকড়ি
বাজির বাজারের কথা উঠলেই একইসঙ্গে ওঠে নিরাপত্তার প্রসঙ্গ। তবে চম্পাহাটির বাজারে (Firecrackers Market) ঢুকতেই শোনা যাচ্ছে মাইকে সতর্কবার্তা। প্রতিটি দোকানে রাখা হয়েছে আলাদা করে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র। নিরাপত্তার বিষয়ে তৎপর স্থানীয় প্রশাসনও। তদারকির দায়িত্বে রয়েছে পুলিশ ও বাজার কমিটি যৌথভাবে।


