Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মা হতে চলেছেন শাহরুখ খানের নায়িকা। টোরন্টো ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের দ্যুতি ছড়িয়ে জের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর খবরটি ভাগ করে নিলেন পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খান (Mahira Khan)। ৪১ বছর বয়সে হচ্ছেন সন্তানের মা। বেবি বাম্পের ছবি পোস্ট করে দ্বিতীয়বার মা হতে চলার কথা জানিয়েছেন এই তারকা।
৪০ পেরিয়ে মা হওয়ার ইচ্ছা (Mahira Khan)
শুধু মাহিরা (Mahira Khan) নন, আজকের দিনে দীপিকা পাডুকোন, ক্যাটরিনা কাইফের মতো আন্তর্জাতিক তারকাদের থেকে শুরু করে আমাদের আশপাশের বহু নারীই জীবনের এই বিশেষ সিদ্ধান্তটি (Pregnancy) একটু দেরিতে নিচ্ছেন। ক্যারিয়ার গঠন, আর্থিক স্বাধীনতা কিংবা মানসিক পরিপক্কতার কারণে ৪০ ছুঁইছুঁই বয়সে মাতৃত্বকে আপন করে নেওয়ার এই প্রবণতা এখন খুবই স্বাভাবিক।
আরও পড়ুন: Sexual Health: পছন্দের নারীর সঙ্গে সঙ্গমে কন্ডোম ব্যবহারে অনীহা পুরুষের! কেন জানেন?
চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ৩৫ বা ৪০-এর পর গর্ভধারণকে ‘অ্যাডভান্সড মেটারনাল এজ’ বলা হলেও, আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার দৌলতে এই বয়সেও সুস্থ সন্তানের জন্ম দেওয়া সম্ভব। তবে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কিছু শারীরিক জটিলতা তৈরি হওয়ায় এই সময়ে বাড়তি সচেতনতা প্রয়োজন।
৪০ পেরিয়ে গর্ভধারণে কী কী ঝুঁকি থাকে?
বয়সের সঙ্গে সঙ্গে নারীদের ডিম্বাণুর সংখ্যা বা ‘ওভারিয়ান রিজার্ভ’ দ্রুত কমতে শুরু করে। পাশাপাশি ডিম্বাণুর গুণমান হ্রাস পাওয়ার কারণে ভ্রূণে ক্রোমোজোমজনিত সমস্যার আশঙ্কা বাড়ে। এছাড়া গর্ভাবস্থায় জেস্টেশনাল ডায়াবেটিস এবং প্রেশার বাড়ার ঝুঁকি প্রবল থাকে (Mahira Khan)। প্লাসেন্টা নিচে নেমে আসা (প্লাসেন্টা প্রিভিয়া) কিংবা প্রিম্যাচিওর ডেলিভারির সম্ভাবনাও থাকে। আবার ক্রোমোজোমগত জটিলতাও দেখা যায়। গর্ভস্থ শিশুর ডাউন সিন্ড্রোমের মতো সমস্যা চিহ্নিত করতে প্রথম ত্রৈমাসিকেই এনআইপিটি (NIPT) বা জেনেটিক টেস্ট করা দরকার।

আরও পড়ুন:Marriage Anniversary: ‘প্রেম ও যুদ্ধের ২০ বছর উদযাপন করলেন পিঁড়িতে সুরিয়া -জ্যোতিকা
কনসিভ করার আগে ৫টি প্রস্তুতি অবশ্যই নেবেন:
গর্ভধারণের (Mahira Khan) পরিকল্পনা করার শুরুতেই একজন অভিজ্ঞ গাইনোকোলজিস্ট ও ফার্টিলিটি স্পেশালিস্টের সঙ্গে কথা বলুন। শরীরের ডিম্বাণুর মাত্রা জানতে এএমএইচ (AMH) টেস্টের পাশাপাশি থাইরয়েড, ব্লাড সুগার ও সার্বিক ফিটনেস পরীক্ষা করিয়ে নিন। কনসিভ করার অন্তত ২-৩ মাস আগে থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শমতো ফোলিক অ্যাসিড ও প্রয়োজনীয় ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট খাওয়া শুরু করুন। অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। অ্যালকোহল ও ধূমপান পুরোপুরি ত্যাগ করে প্রতিদিন অন্তত আধঘণ্টা হালকা ব্যায়াম বা হাঁটার অভ্যাস গড়ুন। ৪০ পেরিয়ে টানা ৬ মাস চেষ্টা করার পরও স্বাভাবিক নিয়মে কনসিভ না হলে দেরি না করে আইভিএফ (IVF) বা উন্নত ফার্টিলিটি চিকিৎসার পথ বেছে নিন।


