Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দিল্লি থেকে ফেরার দিনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কংগ্রেসে যোগ নিয়ে তুমুল জল্পনা। হঠাৎ করে সূত্র মারফত আসা এক খবর সংবাদ শিরোনামে।(Mamata Congress)
মমতা মিশছেন কংগ্রেসে? (Mamata Congress)
সূত্রের খবর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কংগ্রেসের সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি পদে এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে যোগদানের প্রস্তাব দিয়েছেন খোদ সোনিয়া গান্ধী(Mamata Congress)। গুঞ্জন ওঠে অভিষেকের সঙ্গে রাহুল গান্ধীর বৈঠক নিয়েও।
জল্পনার মধ্যেই শহরে মমতা
সূত্রের খবরের এই জল্পনা বিতর্কের মধ্যেই কলকাতায় ফেরেন মমতা। বিমানবন্দরে এই বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্ন এড়িয়েই গেলেন তিনি। কংগ্রেসের মূলস্রোতে তৃণমূলের মিশে যাওয়ার প্রসঙ্গে একটাও কথা খরচ করেননি তৃণমূল সুপ্রিমো।
নানা মুনির নানা মত
এদিকে এই খবরে ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দেয় বাংলার রাজনৈতিক মহলে। কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিধানসভায় নতুন তৃণমূলের তরফে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া মেলে। কংগ্রেসের প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের দাবি, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের দম যাদের আছে তাদের সবাইকে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেসে স্বাগত। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যে মমতার কড়া সমালোচক অধীর চৌধুরীর দাবি রাজ্যে কংগ্রেসকে যারা শেষ করতে চাইছিল তাদের বিরোধিতা তিনি করেছেন, ব্যক্তিগতভাবে কারো বিরুদ্ধে কিছু করতে চাননি। তিনি বলেন মমতা হেরেছেন তাই কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে বারবার দেখা করছেন, না হারলে করতেন না।
‘আমরাই তৃণমূল, আমরা মিশছি না’ (Mamata Congress)
এবিষয়ে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জোর গলায় দাবি করেন তাঁরাই তৃণমূল এবং তাঁরা কেউই কংগ্রেসের সঙ্গে মিশছেন না। ব্যক্তিগতভাবে কে কোথায় কার সঙ্গে মিশছেন সেটা নিয়ে তারা ভাবছেন না।
আরও পড়ুন: India Fertility Rate: ভারতে জন্মহার কমছে: দিল্লির তথ্য কেন উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বিশেষজ্ঞদের?
কুণালের কথায় জল্পনা (Mamata Congress)
জল্পনা আরও বেড়েছে কুণাল ঘোষের কথায়। প্রথমে তিনি বিষয়টি শীর্ষ নেতৃত্বের কোর্টে ঠেলতে চাইলেও পরে তিনি প্রশ্ন করেন ইন্ডিয়া জোটে কংগ্রেস তৃণমূল একসঙ্গে লড়াই করে থাকলে এবিষয়ে সমস্যা কোথায়? একই সঙ্গে তিনি বলেন এ ব্যাপারে শুধু তাঁকেই কেন প্রশ্ন করা হচ্ছে কংগ্রেসকে কেন নয়?
ফলে সব মিলিয়ে এক নয়া মোড় রাজ্য রাজনীতিতে। নতুন নতুন সমীকরণ এবং টানাপোড়েনে রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক দল। ফলে আগামীতে নজর থাকবে রাজনীতির রসায়নে।



