Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কথায় বলে মা মা-ই হন। যে পদ যে দায়িত্ব বা সমাজের যে স্তরেরই তিনি হন না কেন মাতৃত্ব একজন নারীকে অন্য অনুভূতি দান করে। মায়ের স্থান থেকে দাঁড়িয়ে সব শিশুর মধ্যে তিনি সন্তান খুঁজে পান। এমনই এক প্রমাণ মিলল নেপালের নারী, শিশু ও প্রবীণ নাগরিক বিষয়ক মন্ত্রী সীতা বাদীর ক্ষেত্রে। মন্ত্রীত্বের দায়িত্বের সঙ্গে মাতৃত্বের দায়িত্বও পালন করলেন তিনি(Minister Mother)।
মায়ের দায়িত্বে মন্ত্রী (Minister Mother)
কাঠমান্ডুর নকশাল এলাকার বাল মন্দির আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে যান সীতা। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় ২০টি শিশুকে। এদের বয়স ১৫ দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে। বর্ষাকালে অত্যন্ত জঘন্য পরিস্থিতি থাকা ওই আশ্রমে থাকা শিশুগুলির অবস্থা ছিল আরও সঙ্গীন। নোংরা জল ঢুকে সমস্যা এতই ঘোরালো হয় যে শিশুদের প্রশাসনিক ভবনে সরাতে হয়। উদ্দারকারীরা জানিয়েছেন একটিমাত্র মাদুরে ২০টি শিশুকে রাখা হয়েছিল এবং খাবার বলতে কিছু ইন্সন্ট্যান্ট নুডলস রাখা ছিল।
উদ্ধার করার পর শিশুগুলির ডাক্তারি পরীক্ষা হয় সেইসময়ই দেখা যায় তারা প্রত্যেকেই চোখের সংক্রমণ, ত্বকের অসুখ বা কাশিতে ভুগছে। মন্ত্রী সীতা সেইসময় প্রশাসনিক ভবনে থেকে কাজ দেখাশোনা করতে থাকেন। এমনকি শিশুদের স্নান করাতেও সাহায্য করেন। ডাক্তারি পরীক্ষার সময়ই হঠাৎ করেই এক ১৭ দিনের শিশু তারস্বরে কাঁদতে থাকে। কিছুতেই তাকে থামানো যায়নি।
মন্ত্রী সীতা এইসময় এগিয়ে আসেন। কোলে তুলে নেন শিশুটিকে। তিনি জানিয়েছেন শিশুটিকে কোলে নিয়ে তাঁর মনে হয়ে সেটি তাঁরই। তারপরই সবাইকে বিস্মিত কের তিনি ওই ক্ষুধার্ত শিশুকে স্তন্যপান করান। মুহূর্তে সেই ছবি ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায় এবং ভাইরাল হয়। প্রশংসা পায় নেটনাগরিকদের(Minister Mother)।
আরও পড়ুন: Bharat Sebashram Sangha: বন্যার্তদের পাশে ভারত সেবাশ্রম সংঘ, চলছে ত্রাণ ও পুনর্বাসনের কাজ
জানা গিয়েছে প্রচণ্ড দুরবস্থায় শৈশব কেটেছে মন্ত্রী সীতার(Minister Mother)। মা-বাবা শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। মাত্র ১২ বছর বয়সে জন্মস্থান নেপালের সুরখেত জেলা ছেড়ে কাঠমান্ডুতে যান তিনি। সেখানে একটি আশ্রয়কেন্দ্রেই তাঁর শৈশব ও কৈশোর কাচে।



