Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অমল চক্রবর্তী, হুগলি: বুধবার পান্ডুয়ার (MLA Hospital Visit) বৈঁচিগ্রাম বি এল মুখার্জি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পরিদশর্নে যান বিধায়ক তুষার মজুমদার। হাসপাতালের আউটডোর থেকে ইনডোর রোগী পরিষেবা কেমন চলছে তা জানতেই সারপ্রাইজ ভিজিট করেন বিধায়ক। হাসপাতালে রোগী থেকে স্বাস্থ্যকর্মী এমনকি চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলেন । অনেকেই বিধায়ককে কাছে পেয়ে একাধিক অভিযোগ জানাতে থাকেন। এক চিকিৎসককে ধমক দিয়ে বিধায়ক বলেন, “পুরো খেয়ে রেখে দিয়েছেন। জঙ্গল পরিষ্কার করাতে হবে। আপনারা পরিষেবা দিচ্ছেন, আমরাও মানুষকে পরিষেবা দিচ্ছি।”
বিধায়কের বক্তব্য (MLA Hospital Visit)
পরে বিধায়ক বলেন, “হাসপাতালের ভঙ্গুর (MLA Hospital Visit) দশা। যেমন নেই ডাক্তার ,তেমনি নেই সুইপার। সব দিক দিয়েই হাসপাতালের অবস্থা খারাপ। আগের সরকার কোন কিছুর দিকে নজর রাখেনি। খালি বিজ্ঞাপনের রাজনীতি করে গেছে। হাসপাতালের কোন কর্মী কোন কিছুর দিকে নজর রাখে না। ডাক্তারের অভাব রয়েছে। যাতে ডাক্তার, নার্স নিয়োগ করা যায় তার বিষয়টাও আমি দেখব। পার্সেন্টেজ হিসেবে ওষুধ লেখা হয়। আগের সরকার চুরি ছাড়া ভালো কিছু কাজ করতে শেখায়নি। পার্সেন্টেজ হিসাবে ওষুধ লেখা হয়। হাসপাতালের নার্সদেরও ব্যবহার খারাপ।”
বিধায়কের কাছে অভিযোগ (MLA Hospital Visit)
হাসপাতালের পক্ষ থেকে বিধায়কের কাছে অভিযোগ (MLA Hospital Visit) করা হয় হাসপাতালে চারপাশ জঙ্গলে পরিপূর্ণ। কোনও নিরাপত্তা নেই। বিধায়ক বলেন , “এটা আমাদেরকে জানাতে হবে আমি লিখিত দেওয়ার কথাও বলেছি। আমি এটা দ্রুত সমাধান যাতে হয়, তার ব্যবস্থা করব। প্রয়োজনে CMOH দপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব।”
তিনি আরও বলেন, “ডাক্তাররা অনেক সময় একটা নির্দিষ্ট কোম্পানি ওষুধ লেখে যেটা ওষুধটা অন্য দোকানে পাওয়া যায় না শুধুমাত্র একটি দোকানে পাওয়া যায় । আমি ডাক্তারকে বলেছি এমন ওষুধ লিখবেন যেটা সব দোকানে পাওয়া যায় । মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হয়।” তবে তিনি কথা দিয়েছেন এরপর থেকে আর হবেনা।

সিস্টার টিউটর দিপালী মাঝি সাহা বলেন, “এই হাসপাতালে ইনফ্রাস্ট্রাকচারের দিক দিয়ে অনেক কম আছে। নার্সিং স্টাফ কম আছে, সুইপার এখানে নেই। স্বাস্থ্য দপ্তর থেকেও চেষ্টা করব সেগুলো বাড়ানোর । এখানকার সিস্টাররা নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন, কোন সিভিক নেই ।বিধায়কের কাছে অনুরোধ করেছি আশা রাখি আগামী দিনগুলো মিটবে।”
অন্যদিকে বৈঁচির এক মহিলা বিধায়ককে কাছে পেয়ে ছেলের চিকিৎসার জন্য আবেদন জানান। তিনি আবেদন করেন , তার ছেলের কিডনিতে পাথর হয়েছে। বিধায়ক সেই খবর জানতে পেয়েই দ্রুত তাকে সব রকমের সাহায্যে আশ্বাস দেন।


