Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রায় ১৭ মাস হয়ে গিয়েছে, সিরাজ ভারতের হয়ে শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। তারপর আর দলে জায়গা পাননি তিঁনি। কিন্তু ঘরোয়া ক্রিকেটে তিঁনি রয়েছেন দুরন্ত ছন্দে (Mohammed Siraj)।
বিধ্বংসী মেজাজে সিরাজ (Mohammed Siraj)
গম্ভীর-আগরকর জমানায় বারবার বিতর্ক হয়েছে দল নির্বাচন নিয়ে। বারবার এই অভিযোগ উঠেছে যে ঘরোয়া ক্রিকেটে ভাল পারফর্ম করার পরেও দলে জায়গা পাচ্ছেন না বহু ক্রিকেটার। আবার ভাল পারফর্ম করে স্কোয়াডে থাকলেও তাঁকে থাকতে হচ্ছে প্রথম একাদশের বাইরে। সেই বিতর্কই আবার বাড়িয়ে দিলেন সিরাজ (Mohammed Siraj)।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা পাননি সিরাজ। কিন্তু সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে দুরন্ত ফর্মে নিজেকে প্রমাণ করছেন এই তারকা বোলার। শুক্রবার তাঁর দাপুটে বোলিংয়ে ভর করে সুপার লিগ স্টেজে মুম্বইকে ৯ উইকেটে হারিয়ে জয় তুলে নিলো হায়দরাবাদ। এই ম্যাচে মুম্বইয়ের ইনিংস সিরাজের আগুনে স্পেলের কাছে ভেঙে পরে বিপক্ষের ব্যাটিং লাইন-আপ। তিঁনি যেন প্রমাণ করলেন যে শুধু টেস্ট ক্রিকেটে না সীমিত ফরম্যাটের ক্রিকেটেও হতে পারেন ম্যাচ উইনার।

ভারতীয় দল এই মুহূর্তে প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে ব্যস্ত। সেখানে প্রথম ম্যাচ জিতলেও দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতীয় বোলারদের শোচনীয় অবস্থা হয়। এই সিরিজেও জাতীয় দলে নেই সিরাজ। অনেকের বক্তব্য যে সিরাজেরও সুযোগ পাওয়া উচিত ছিল। কারণ হেড কোচ ও প্রধান নির্বাচকের চোখে দীর্ঘদিন তিঁনি টি-টোয়েন্টি দলে ব্রাত্য। আর ঘরোয়া ক্রিকেটে তাঁর এই দুরন্ত বোলিং যেন গম্ভীর-আগরকরকে বার্তা দেওয়ার জন্য (Mohammed Siraj)।

আরও পড়ুন: Winter Update: শুরু শীতের ঝোড়ো ব্যাটিং! ঠান্ডায় জবুথবু বাংলা
মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে এই ম্যাচে হায়দরাবাদের জয়ের প্রধান নায়ক মহম্মদ সিরাজ। মাত্র ৩.৫ ওভার বল করে তুলে নেন তিন উইকেট, খরচ কোরেছেন মাত্র ২১রান। তাঁর এই আগুনে বোলিংয়ের জন্য মুম্বই দল গুটিয়ে যায় ১৩১ রানে। সূর্যাংশ শেডগে, শার্দুল ঠাকুর এবং তনুষ কোটিয়ানকে ড্রেসিং রুমে ফেরান সিরাজ। সূর্যাংশ শেডগে ও শার্দুল ঠাকুরকে তিনি টানা দুই বলে আউট করেন সিরাজ। সিরাজ ছাড়াও তনয় ত্যাগরাজনও দুই উইকেট নিয়েছেন।
এই ম্যাচে ব্যর্থ হয়েছেন যশস্বী জয়সওয়াল। তিনি করেন মাত্র ২৯ রান। সরফরাজ খান ৫ রান এবং অজিঙ্কা রাহানে মাত্র ৯ রান করেন। অন্যদিকে, হায়দরাবাদ মাত্র ১১.৫ ওভারে এক উইকেট হারিয়ে ১৩২ রান তুলে জয় নিশ্চিত করে। এই জয়ে অমন রাওয়ের অপরাজিত ৫২ রান এবং তন্ময় আগরওয়ালের ঝোড়ো ৭৫ রানের ইনিংসও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে (Mohammed Siraj)।


