Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মধ্যপ্রদেশের ধার জেলার বিতর্কিত ভোজশালা মন্দির–কামাল মওলা মসজিদ কমপ্লেক্স নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট(MP High Court)। শুক্রবার আদালত জানায়, ঐতিহাসিক নথি ও প্রমাণ অনুযায়ী এই স্থান মূলত একটি মন্দির এবং হিন্দু উপাসনার ধারাবাহিকতা কখনও সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়নি।
ভোজশালার পক্ষেই রায় (MP High Court)
বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও অলোক অবস্থীর ডিভিশন বেঞ্চ পর্যবেক্ষণে বলে, ভোজশালা ছিল পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে যুক্ত সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র। আদালত জানায়, “ঐতিহাসিক সাহিত্য ও নথি এই স্থানের চরিত্রকে ভোজশালা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।”
দেবী সরস্বতীর মন্দির ভোজশালা
হিন্দু পক্ষের দাবি ছিল, ভোজশালা আসলে দেবী সরস্বতীর মন্দির, যিনি বাগদেবী নামেও পরিচিত। তাঁদের মতে, এটি জ্ঞান ও শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন রাজা ভোজ। অন্যদিকে মুসলিম পক্ষ দাবি করে, বহু শতাব্দী ধরে এখানে কামাল মওলা মসজিদ হিসেবে নামাজ আদায় হয়ে আসছে।
নমাজের জন্য অন্য জমির আবেদনের নির্দেশ
রায়ে আদালত মুসলিম আবেদনকারীদের পৃথকভাবে নমাজের জন্য অন্য জমির আবেদন করতে সরকারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, পুরো কমপ্লেক্সের সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব Archaeological Survey of India (ASI)-এর হাতেই থাকবে।
সরস্বতীর মূর্তি ভারতে ফিরিয়ে আনার প্রসঙ্গ (MP High Court)
এছাড়াও লন্ডনের একটি জাদুঘরে থাকা দেবী সরস্বতীর মূর্তি ভারতে ফিরিয়ে আনার প্রসঙ্গও উঠে আসে। আদালত জানায়, এ বিষয়ে আবেদনকারীরা সরকারের কাছে একাধিকবার আবেদন করেছেন এবং সরকার চাইলে সেই আবেদন বিবেচনা করতে পারে।
আরও পড়ুন: RSS Pak: আরএসএস-এর আলোচনার প্রস্তাব ইতিবাচক: প্রতিক্রিয়া পাক বিদেশমন্ত্রকের
আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ভোজশালা (MP High Court)
ASI ২০০৩ সালে একটি বিশেষ ব্যবস্থা চালু করেছিল। সেই অনুযায়ী প্রতি মঙ্গলবার হিন্দুরা সেখানে পূজা করেন এবং শুক্রবার মুসলিম সম্প্রদায় নামাজ আদায় করেন। আদালতের এই রায়ের পর বিষয়টি নতুন করে জাতীয় পর্যায়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।



