Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নবরাত্রি মানেই উৎসবের আমেজ, রঙিন পোশাক (Navaratri Garba), ঢোলের তালে তালে নাচ আর চারদিকে আনন্দের পরিবেশ। আর এই উৎসবের সঙ্গে যে নাচটির নাম সবচেয়ে বেশি জড়িয়ে রয়েছে, সেটি হল গরবা। বিশেষ করে গুজরাতের এই ঐতিহ্যবাহী নাচ নবরাত্রির নয়টি রাতকে আরও সুন্দর ও প্রাণবন্ত করে তোলে। বর্তমানে শুধু গুজরাতেই নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এমনকি বিদেশেও গরবা নাচের জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েছে।
গরবা নাচের শুরু কীভাবে? (Navaratri Garba)
গরবা মূলত গুজরাতের (Navaratri Garba) লোকনৃত্য। এই নাচের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে দেবী দুর্গার আরাধনা। নবরাত্রিতে শক্তির দেবী মা দুর্গার বিভিন্ন রূপের পুজো করা হয়। গরবা নাচের মাধ্যমে দেবীর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভক্তি প্রকাশ করেন ভক্তেরা। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, মাটির পাত্রের ভিতরে প্রদীপ জ্বালিয়ে তাকে কেন্দ্র করে গোল হয়ে নাচ করা হয়। এই প্রদীপকে জীবনের আলো এবং শক্তির প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।
কেন গোল হয়ে নাচেন সবাই? (Navaratri Garba)
গরবার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল (Navaratri Garba) এর গোলাকার নাচের ধরন। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই একসঙ্গে বৃত্ত তৈরি করে তালের সঙ্গে পা মেলান। বৃত্তাকার এই নাচকে জীবনের চক্র এবং প্রকৃতির অবিরাম চলার প্রতীক হিসেবেও ব্যাখ্যা করা হয়। নাচের সময় হাততালি, কোমরের ছন্দময় ভঙ্গি এবং পায়ের দ্রুত চলন গরবাকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।

রঙিন পোশাক ও গানের বিশেষত্ব
গরবা নাচে মহিলারা সাধারণত চনিয়া চোলি, রঙিন ঘাগরা এবং গয়না পরেন। পুরুষদের পোশাকে দেখা যায় কেডিয়ু, পাগড়ি ও ঐতিহ্যবাহী নকশা। ঢোল, ঢোলক এবং অন্যান্য বাদ্যযন্ত্রের তালে গরবার গান পরিবেশিত হয়। ভক্তিমূলক গানের পাশাপাশি আধুনিক গানের সঙ্গেও এখন গরবা নাচতে দেখা যায়।
আরও পড়ুন: Dhruv Rathee: ‘গ্রেফতার নয়, অপহরণ করা হয়েছিল’, মুক্তির পর বিস্ফোরক ধ্রুব রাঠী
গরবা শুধু নাচ নয়, মিলনের উৎসব
গরবার আসল সৌন্দর্য লুকিয়ে রয়েছে মানুষের মিলনে। পরিচিত-অপরিচিত সবাই একসঙ্গে নাচে অংশ নেন। বয়সের বাধা ভুলে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। তাই নবরাত্রিতে গরবা শুধু একটি নাচ নয়, এটি ভক্তি, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং একতার প্রতীক।


