Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ব্রততী সরকার: নিঠারি হত্যাকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত সুরেন্দ্র কোলির মৃত্যু ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল (Nithari Case)। হরিদ্বারের ভূপতওয়ালা এলাকায় একটি চায়ের দোকান থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বয়স হয়েছিল প্রায় ৫০ বছর। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, পারিবারিক অশান্তির জেরেই আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন কোলি। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণ? (Nithari Case)
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভূপতওয়ালার লালমাতা মন্দিরের সামনে একটি চায়ের দোকান থেকে কোলির দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর বাড়ি উত্তরাখণ্ডের আলমোড়ার ভিকিয়াসৈণ এলাকার মংরুখাল গ্রামে। গত কয়েক মাস ধরে তিনি হরিদ্বারেই থাকছিলেন। প্রায় দুই দশক ধরে আলোচিত নিঠারি কাণ্ডের আইনি অধ্যায়ের পর এবার কোলির মৃত্যু নতুন প্রশ্ন তুলেছে। আত্মহত্যা, নাকি অন্য কোনও কারণ-তা স্পষ্ট হবে পুলিশের তদন্তেই।
নিঠারি হত্যাকান্ড (Nithari Case)
কোলির নাম দেশজুড়ে পরিচিত হয়ে ওঠে ২০০৬ সালে নিঠারি হত্যাকাণ্ড প্রকাশ্যে আসার পর। নয়ডার সেক্টর ৩১-এর ডি-৫ নম্বর বাড়ির পিছনের নর্দমা থেকে একের পর এক মানুষের দেহাবশেষ উদ্ধারের ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছিল। ওই বাড়ির মালিক মনিন্দর সিং পান্ধেরের পরিচারক ছিলেন কোলি। তদন্তে দু’জনকেই গ্রেফতার করা হয় এবং পরে CBI তদন্তভার নেয়। নিঠারি সংক্রান্ত একাধিক মামলায় কোলিকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল ট্রায়াল কোর্ট।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee Symbol: টিএমসি মানে ‘তৃণমূল মমতা কংগ্রেস’? কমিশনে আরও কী নাম পাঠাল কালীঘাট তৃণমূল?
রিম্পা হালদার হত্যার মামলাতেও তাঁর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড বহাল ছিল। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ২০১৫ সালে এলাহাবাদ হাই কোর্ট তাঁর সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড করে। এরপর আসে মামলার সবচেয়ে বড় মোড়। ২০২৩ সালে এলাহাবাদ হাই কোর্ট নিঠারি সংক্রান্ত ১২টি মামলায় কোলিকে খালাস দেয়। পরবর্তী সময়ে সুপ্রিম কোর্টও তাঁর বিরুদ্ধে থাকা শেষ দিকের দণ্ড খারিজ করে দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে, কোলিকে দোষী সাব্যস্ত করার ক্ষেত্রে প্রমাণের ঘাটতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন ছিল।



