Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নামি এক সংবাদ মাধ্যম-এর একটি প্রতিবেদনে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission Controversy) অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশী অন্তত ১৪ বার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। ভোটার তালিকায় নাম যোগ-বিয়োগ, নতুন ভোটারের ফর্ম এবং ভোটার সংক্রান্ত তথ্য ব্যবস্থাপনা-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে তাঁদের আপত্তির কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
কী লেখা প্রতিবেদনে? (Election Commission Controversy)
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিছু ক্ষেত্রে দুই নির্বাচন কমিশনারের (Election Commission Controversy) আপত্তি সত্ত্বেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কয়েকটি প্রশাসনিক পদক্ষেপের অনুমোদন নিয়েও তাঁদের প্রশ্ন ছিল। এমনকি একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে দুই নির্বাচন কমিশনার দেশের ক্যাবিনেট সচিবকে চিঠি দিয়েছিলেন বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া
এই প্রতিবেদন সামনে আসার পর রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে কড়া বক্তব্য রেখেছেন। দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে বিক্ষোভও হয়েছে।
অন্যদিকে, বিজেপির সম্বিত পাত্র বিরোধীদের বক্তব্যের পাল্টা সমালোচনা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কমিশনের সদস্যদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলে সেটিকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেও দেখা যেতে পারে।
আরও পড়ুন: WB Cabinet: দুই মন্ত্রীকে দফতরে বসে কাজ করার পরামর্শ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
এই বিতর্কের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আলোচনার সময় বিভিন্ন মতামত ও পর্যবেক্ষণ সামনে আসা স্বাভাবিক। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়ায় প্রত্যেক কমিশনারের মতামত যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয় বলেও কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।


