Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগামের মনোরম বৈশরন উপত্যকায় ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গিদের হামলায় ২৬ জন নিহত হন। এই নৃশংস ঘটনা ভারতের নিরাপত্তা নীতিতে বড় পরিবর্তনের সূচনা করে(Pahalgam Security)।
অপারেশন সিঁদুর (Pahalgam Security)
হামলার কয়েক দিনের মধ্যেই ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালিয়ে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের (PoK) নয়টি জঙ্গি ঘাঁটিতে নির্ভুল বিমান হামলা চালায়। ৭ মে শুরু হওয়া চার দিনের এই সংঘর্ষে স্পষ্ট বার্তা যায় ভারত আর কূটনৈতিক সংযমে বিশ্বাসী নয়, বরং দ্রুত ও কঠোর জবাব দেবে।
আক্রমণাত্মক কৌশল ভারতের
বিশ্লেষকদের মতে, উরি (২০১৬), বালাকোট (২০১৯) এবং পহেলগাম (২০২৫)-এর মত ধারাবাহিক হামলার পর ভারত ধীরে ধীরে সংযমের নীতি থেকে সরে এসে আরও আক্রমণাত্মক কৌশল নিয়েছে। এখন আর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বা দীর্ঘ তদন্তের অপেক্ষা না করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়াই প্রয়োজন।
সন্ত্রাস ও আলোচনা একসঙ্গে নয়
ভারতের নতুন নীতিতে রয়েছে বহুমুখী চাপ সামরিক অভিযান, কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার এবং জলচুক্তির মতো কূটনৈতিক হাতিয়ার ব্যবহার। সরকার স্পষ্ট করেছে, সন্ত্রাস ও আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না।
২১টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস (Pahalgam Security)
অপারেশন সিঁদুরে ২১টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়, যেখানে অন্তত ১০০ জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে দাবি। জইশ-ই-মহম্মদ, লস্কর-ই-তইবা ও হিজবুল মুজাহিদিনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলো লক্ষ্যবস্তু ছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একে “নতুন ধরনের বিচার” বলে অভিহিত করেন।
সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত করে ভারত (Pahalgam Security)
হামলার পরই ভারত সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত করে কূটনৈতিক চাপ বাড়ায়। মোদির ভাষায়, “সন্ত্রাস ও আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না, জল আর রক্ত একসঙ্গে বইতে পারে না।”



