Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০২৫ সালের পহেলগাম জঙ্গী হামলার মামলায় লস্কর-ই-তইবা প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সঈদকে সমন পাঠাতে চলেছে ভারত(Pahalgam Terror Case)। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)-র আর্জিতে আদালত অবমাননার পরোয়ানা জারি করার পর, বিদেশ মন্ত্রকের (MEA) কূটনৈতিক মাধ্যমে লাহোরে থাকা সঈদের কাছে এই সমন পাঠানো হচ্ছে।
কূটনৈতিক পদক্ষেপের মূল কারণ (Pahalgam Terror Case)
আইনি সুযোগ প্রদান: ভারতীয় আদালতে উপস্থিত হয়ে নিজের পক্ষে সাফাই দেওয়ার একটি আনুষ্ঠানিক আইনি সুযোগ দেওয়া হচ্ছে সাঈদকে।
অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in Absentia): পাকিস্তানের কাছ থেকে প্রত্যর্পণ সুবিধা না থাকলেও, ভারতের নতুন ফৌজদারি আইন ‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা’ (BNSS)-র ৩৫৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী কোনো ঘোষিত অপরাধীর অনুপস্থিতিতেই বিচার প্রক্রিয়া ও রায়দান সম্ভব।
আন্তর্জাতিক চাপ বৃদ্ধি: কূটনৈতিক মাধ্যমে সমন পাঠিয়ে ভারত আন্তর্জাতিক মহলে প্রমাণ করতে চায় যে, সমস্ত আইনি পথ অবলম্বন করেই সঈদের বিচার শুরু করা হয়েছে।
মামলার প্রেক্ষাপট ও ভারতের উদ্দেশ্য (Pahalgam Terror Case)
জুলাই ২০২৬-এ এনআইএ-র পেশ করা সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে হাফিজ সাঈদ ও তার সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (TRF)-কে পহেলগাম হামলার মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়। ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার অভিযোগে জম্মুর বিশেষ আদালত সাঈদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করে।
আরও পড়ুন: Maharashtra Death: ফোনের জন্য মর্মান্তিক পরিণতি: কী ঘটেছিল মহারাষ্ট্রে পাহাড় দুর্ঘটনায়?
পাকিস্তান দাবি করে আসছে যে সাঈদ সন্ত্রাসী অর্থায়ন মামলায় তাদের হেফাজতে বন্দি। তবে ভারতের এই নতুন আইনি পদক্ষেপ পাকিস্তানের দাবির সত্যতা পরীক্ষা করার পাশাপাশি সাঈদকে ‘ঘোষিত অপরাধী’ (Proclaimed Offender) হিসেবে চিহ্নিত করতে সাহায্য করবে(Pahalgam Terror Case)। এর ফলে বিদেশে বসে থাকা সন্ত্রাসী নেতাদের ভারতের বিচারব্যবস্থাকে ফাঁকি দেওয়ার পথ পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হবে।



