Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ‘২০২৫ সালে বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতিতে নেমে এসেছে ভারত। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) সর্বশেষ অনুমান অনুযায়ী এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে(IMF Economy)। শক্তিশালী দেশীয় বৃদ্ধি সত্ত্বেও ভারতীয় টাকার দুর্বল অবস্থানের কারণে এই অবস্থান পরিবর্তন হয়েছে, যা তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ার ভারতের লক্ষ্যে কিছুটা বিলম্ব ঘটিয়েছে।
ষষ্ঠ স্থানে ভারত (IMF Economy)
IMF-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ভারতের অর্থনীতির আকার দাঁড়িয়েছে ৩.৯২ ট্রিলিয়ন ডলার। এর ফলে ভারত এখন যুক্তরাজ্য (৪ ট্রিলিয়ন ডলার) ও জাপান (৪.৪৪ ট্রিলিয়ন ডলার)-এর পিছনে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ৩০.৮ ট্রিলিয়ন ডলার নিয়ে শীর্ষে, তার পরেই চীন (১৯.৬ ট্রিলিয়ন ডলার) এবং জার্মানি (৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলার) রয়েছে।
পঞ্চম স্থান ছিল ভারতের
২০২৪ সালে ভারত ৩.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি নিয়ে যুক্তরাজ্যকে অল্প ব্যবধানে পিছনে ফেলে পঞ্চম স্থানে ছিল। তবে এক বছরের মধ্যেই সেই অবস্থান বদলেছে।
মুদ্রার বিনিময় হার দুর্বলতার কারণ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পতনের প্রধান কারণ দুর্বল অর্থনৈতিক ভিত্তি নয়, বরং মুদ্রার বিনিময় হার। বৈশ্বিক অর্থনীতির তুলনা সাধারণত ডলারে করা হয়, আর শক্তিশালী মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় রুপি দুর্বল হয়েছে। ২০২৪ সালে যেখানে ডলারের বিপরীতে রুপির মান ছিল প্রায় ৮৪.৬, তা ২০২৫ সালে নেমে এসেছে প্রায় ৮৮.৫-এ। ফলে প্রায় ৯ শতাংশ নামমাত্র প্রবৃদ্ধি থাকলেও ডলারে হিসাব করলে তার প্রভাব কম দেখা যাচ্ছে।
ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী IMF (IMF Economy)
তবে ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী IMF। সংস্থার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারত আবার চতুর্থ স্থানে উঠে আসতে পারে এবং যুক্তরাজ্যকে ছাড়িয়ে যেতে পারে। যদিও তৃতীয় স্থানে ওঠার সময়সীমা কিছুটা পিছিয়ে ২০৩১ সাল ধরা হয়েছে।
আরও পড়ুন: Voter Alert: ভোটার সচেতনতায় বিশেষ উদ্যোগ, একসঙ্গে পথে DEO নর্থ ও কলকাতা পুলিশ কমিশনার
বৃদ্ধি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা (IMF Economy)
অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সাময়িক ধাক্কা ভারতের দীর্ঘমেয়াদি বৃদ্ধির গতিকে প্রভাবিত করবে না। আগামী বছরগুলোতেও ৬ শতাংশের বেশি হারে বৃদ্ধি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।



