Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বাংলাদেশের পর টালবাহানা পাকিস্তানের। দল ঘোষণার পরেও মহসিন নাকভি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপে খেলার সিদ্ধান্ত পুরোপুরি সরকারের হাতে (Pakistan)।
অব্যাহত পাকিস্তানের নাটক (Pakistan)
২০২৬ সালের বিশ্বকাপ যেন নাটকে ভরা আর তার মূল ভূমিকায় রয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। বাংলাদেশে ইস্যুতে সরব হয়েও নিজেদের ১৫ জনের স্কোয়াড ঘোষণা করে দিয়েছে পাকিস্তান। তবে বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ এখনও নিশ্চিত নয়। চূড়ান্ত ভাবে কিছুই বলা যাচ্ছে না। পিসিসিবি PCB চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, দল ঘোষণা মানেই যে বিশ্বকাপে খেলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সেটা ভাবার কোনও কারণ নেই কারণ তারা অপেক্ষা করছেন পাকিস্তান সরকারের নির্দেশের (Pakistan)।
বাংলাদেশের দাবি ছিল ভারতের বদলে শ্রীলঙ্কায় তাদের সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হোক আর সেই বিষয়ে পাকিস্তানকে সাপোর্ট করেছিল তাদের ‘বন্ধু’ পাকিস্তান। যদিও তার এক দিন পরেই দল ঘোষণা করে দেয় পাকিস্তান। অনেক নেটিজেনদের মতে বাংলাদেশকে গাছে তুলে মই কেড়ে নেওয়ার কাজ করেছে পাকিস্তান। আবার অনেকের মতে ICC-র চাপের মুখে হয়তো নিজেদের অবস্থান নরম করেছে পাকিস্তান। তবে নাকভি সেই ধারণা স্পষ্ট ভাবে নাকচ করে দেন।

দল ঘোষণার পর লাহোরে ক্রিকেটারদের এবং প্রধান কোচ মাইক হেসনের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে নাকভি জানান বিশ্বকাপ খেলার সিদ্ধান্ত সরকারের হাতে। তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারের নির্দেশের অপেক্ষায় আছি। সরকার যা বলবে, আমরা সেটাই করব। যদি তারা বিশ্বকাপে যেতে না বলে, সেটাও মেনে নেব (Pakistan)।’

পরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এক বিবৃতিতে জানায় ক্রিকেটারদের বোর্ডের অবস্থান স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ভারতের আয়োজনে হতে চলা বিশ্বকাপ থেকে তারা যেকোন সময়ে সরে আসতে পারে। এই বিষয় সম্পর্কে খেলোয়াড়দের অবগত থাকতে বলা হয়েছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের তরফে এও বলা হয়েছে যে আইসিসি বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় করেছে। তাদের মতে ভারতের মাটিতে বাংলাদেশের না খেলতে যাওয়ার সিদ্ধান্তযুক্তি সঙ্গত। যদিও এরপর বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে।
আরও পড়ুন: Padma Awards 2026: প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে পদ্ম পুরস্কার ঘোষণা, বাংলার ঝুলিতে ১১ পদ্মশ্রী
বাংলাদেশ বোর্ডের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের একাংশ। এহেন অবস্থায় পাকিস্তানের এইসব বক্তব্যকে উস্কানিমূলক বলেই মনে করছেন অনেকে। তাদের মতে আইসিসি-র উপর চাপ সৃষ্টি করতেই পাকিস্তান এগুলো করছে। কারণ তারাও যদি বয়কটের পথে হাঁটে তবে তাদের ক্রিকেটও ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। পাকিস্তানকেও কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে। ফলে পাকিস্তান যতই আস্ফালন করুক শেষ পর্যন্ত তারা অংশ নেবে বিশ্বকাপে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা (Pakistan)।
এর পরেও টুইস্ট রয়েছে। এক রিপোর্টে প্রকাশ খবর অনুযায়ী পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচ বয়কট করার কথাও ভাবছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অন্দরমহলের ধারণা এতে পাকিস্তান ২ পয়েন্ট হারালেও আর্থিক ক্ষতি হবে আইসিসি-র কারণ এই হাই ভোল্টেজ ম্যাচ থেকেই বড় অঙ্কের লাভ হয় বিশ্ব ক্রিকেটের। নেটিজেনদের অনেকের মতে একেই বলে নিজের নাক কেটে পরের যাত্রাভঙ্গ।


