Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে কাতার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফেরেন সাতজন প্রাক্তন ভারতীয় নৌবাহিনী সদস্য। বিমানবন্দরে যখন পরিবারগুলির চোখে আনন্দাশ্রু, তখন একটি পরিবার নীরবে অপেক্ষা করছিল। সেই পরিবারের সদস্য কমান্ডার পূর্ণেন্দু তিওয়ারি আজও দেশে ফিরতে পারেননি। প্রায় দুবছর পরও তিনি দোহা জেলে বন্দি। পরিবারের অভিযোগ, রাজকীয় ক্ষমার পরেও তাঁকে আটকে রাখতে নতুন করে আর্থিক মামলা সাজানো হয়েছে(Qatar)।
ক্ষমা পেয়েও জেলে (Qatar)
২০২২ সালের আগস্টে দোহায় একটি তদন্তের সময় পূর্ণেন্দু তিওয়ারি ও আরও সাতজন প্রাক্তন নৌকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। ২০২৩ সালে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলেও বিস্তারিত অভিযোগ প্রকাশ করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরাসরি হস্তক্ষেপে কাতারের আমির পরে আটজনকেই ক্ষমা করেন। কিন্তু ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশে ফেরেন শুধু সাতজন। একই কোম্পানি দাহরা গ্লোবালে কর্মরত থাকা সত্ত্বেও পূর্ণেন্দু তিওয়ারিকে বিমানেই উঠতে দেওয়া হয়নি।
ভুয়ো আর্থিক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ (Qatar)
তাঁর বোন মিতু ভরদ্বাজ জানান, কোম্পানির সিইও খামিস আল আজমি নিজের আর্থিক দায় এড়াতে তাঁর ভাইয়ের ঘাড়ে সব চাপিয়ে দিয়েছেন। পূর্ণেন্দু তিওয়ারি ছিলেন টেকনিক্যাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর, আর্থিক ক্ষমতা বা স্বাক্ষরের অধিকার তাঁর ছিল না। তবুও তাঁকে একাধিক ভুয়ো আর্থিক মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে পরিবারের দাবি।
জাতীয় সম্মানের প্রশ্ন (Qatar)
অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁকে দীর্ঘদিন একাকী বন্দি রেখে আরবি ভাষার নথিতে জোর করে সই করানো হয়। বর্তমানে ৬৫ বছর বয়সি এই প্রাক্তন নৌকর্মী গুরুতর অসুস্থ। ৮৭ বছর বয়সি মা তিন বছর ধরে ছেলের ফেরার অপেক্ষায়। ২০১৯ সালে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে প্রবাসী ভারতীয় সম্মান পাওয়া পূর্ণেন্দু তিওয়ারিকে দেশে ফেরানোর জন্য পরিবার আবারও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইছে। বোনের আবেদন “আমাদের অফিসারকে ফিরিয়ে আনুন। বিষয়টি জাতীয় সম্মানের প্রশ্ন।”



