Last Updated on [modified_date_only] by Megha
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: ‘বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আগে লালুপ্রসাদ যাদব পরিবারের নাটক করছে(Yadav Family)।’ তেজপ্রতাপ যাদবের বহিষ্কার নিয়ে সরব হয়েছেন স্ত্রী ঐশ্বর্য রাই। বিধানসভা নির্বাচনে আর মাত্র কয়েক মাস বাকি। সেই নিয়ে প্রস্তুতি যখন চরমে, সেই সময়ই আরজেডি প্রধান লালুপ্রসাদ যাদবের পারিবারিক কলহ রাজ্যের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। কারণ বড় ছেলে তেজপ্রতাপকে শুধু দল থেকেই বহিষ্কার করেননি লালু, ছেলের সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্কও ছিন্ন করেছেন। এই প্রথম নয়, আগেও বারবার পরিবার এবং দলের অস্বস্তি বাড়িয়েছেন তেজপ্রতাপ।
তেজপ্রতাপের বিরুদ্ধে সরব স্ত্রী (Yadav Family)
এই আবহে এবার মুখ খুললেন তেজপ্রতাপের স্ত্রী ঐশ্বর্য রাই(Yadav Family)। ঐশ্বর্য বলেন, ‘আমার জীবন কেন নষ্ট করা হল? কেন আমার উপর শারীরিক নির্যাতন করা হল? এখন হঠাৎ করে ওরা সামাজিকভাবে সচেতন হয়ে উঠেছে। আসলে এরা সব এক। সামনে নির্বাচন, তাই এই সব নাটক শুরু করেছে ওরা।’ তিনি আরও বলেন, ‘সবাই জানে কী হয়েছে। যদি ছেলের কীর্তি সম্পর্কে আগে থেকে ওরা সব জানত, তাহলে কেন আমার সঙ্গে বিয়ে দিয়ে আমার জীবন নষ্ট করল? যাদব পরিবারকে জিজ্ঞাসা করুন কেন ওরা আমার জীবন নষ্ট করল? যখন আমায় মারধর করা হত তখন ওদের সামাজিক ন্যায়বিচার কথায় ছিল?’ অনুষ্কা যাদব নামে যে তরুণীর সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে বলে তেজপ্রতাপ দাবি করেন, তা ১২ বছরের পুরনো।

তেজপ্রতাপ ও ঐশ্বর্যর বিয়ে (Yadav Family)
২০১৮ সালের মে মাসে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল তেজপ্রতাপ ও ঐশ্বর্যর(Yadav Family)। তবে এক মাসের মধ্যেই অশান্তি শুরু হয় স্বামী-স্ত্রীর। তেজপ্রতাপ ডিভোর্সের মামলাও করেন, সেই মামলা চলছে ফ্যামিলি কোর্টে। ঐশ্বর্য লালু পরিবারের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে এফআইআর দায়ের করেছেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, রাবড়ি ও তাঁর বড় মেয়ে মিসা ভারতী তাঁকে মারধর করতেন, খেতেও দিতেন না।সেই টানাপোড়েনের মধ্যে রাজনৈতিক ভাবে ক্ষতি হয় আরজেডি-র। চন্দ্রিকা দল ছেড়ে বেরিয়ে যান। পরবর্তীতে নীতীশ কুমারের সংযুক্ত জনতা দলে যোগ দেন।এই পরিস্থিতির মাঝেই ১২ বছর ধরে এক মহিলার সঙ্গে তেজপ্রতাপের সম্পর্ক বিহার রাজনীতিতে ডামাডোল তৈরি করেছে।
আরও পড়ুন- PM Modi: ‘সিঁদুর মুছতে এলে, তাদেরও মুছে যেতে হবে!’ পাকিস্তানকে ফের হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর
বিতর্কের সূত্রপাত (Yadav Family)
সম্প্রতি তেজপ্রতাপের ফেসবুক পেজ থেকে একটি পোস্ট করা হয়(Yadav Family)। অনুষ্কা যাদব নামের এক তরুণীর সঙ্গে তাঁর ছবি পোস্ট করে লেখা হয়, ‘আমি তেজপ্রতাপ যাদব। আমার সঙ্গে যিনি আছেন তিনি অনুষ্কা যাদব। ১২ বছর ধরে পরস্পরকে চিনি আমরা, গভীর ভাবে ভালবাসি একে অপরকে। এত বছর ধরে আমাদের সম্পর্ক। সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাইছিলাম, কিন্তু সঠিক শব্দ খুঁজে পাচ্ছিলাম না। আজ এই পোস্টের মাধ্যমে মনের জানলা খুলে দিলাম। আশাকরি আপনারা বুঝবেন।’পরে যদিও পোস্টটি মুছে দেওয়া হয়, কিন্তু তত ক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে।
আরও পড়ুন- Operation Sindoor: ‘অসৎ কংগ্রেস!’ অপারেশন সিঁদুরের পরেই পাকিস্তানকে তথ্য, ভুল সংশোধন জয়শংকরের
অন্যান্য বিতর্ক (Yadav Family)
চলতি বছরেই হোলির দিন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়(Yadav Family) । দেখা যায়, এক পুলিশ আধিকারিককে নাচতে বলছেন তিনি। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘ও সিপাহি, ঠুমকা লাগাও। নইলে সাসপেন্ড করে দেওয়া হবে।’ ভিডিওটি সামনে আসতেই বিতর্ক চরমে ওঠে। ক্ষমতায় না থেকেও তেজপ্রতাপ সরকারি আধিকারিককে ‘গরম দেখাচ্ছেন’ বলে মন্তব্য করেন বিরোধীরা। তেজপ্রতাপের দাবি ছিল, তিনি রসিকতা করেন মাত্র। যে কারণে ‘বুরা না মানো হোলি হ্যায়’ বলেন ওই আধিকারিককে।



