Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পশ্চিমবঙ্গের রাজভবন এখন নতুন পরিচয়ে (Lok Bhavan) পরিচিত। নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ‘লোক ভবন’। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের উদ্যোগে এবং কেন্দ্রের অনুমোদনের পরে রাজভবনের নাম পাল্টানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য শুধু নাম পরিবর্তন নয়; বরং প্রাসাদের ঐতিহাসিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তিকে সাধারণ জনসাধারণের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ করে তোলা।
রাজভবনকে উন্মুক্ত করার অভিপ্রায় (Lok Bhavan)
রাজভবনের এক্স হ্যান্ডেলে জানানো হয়েছে, নতুন নাম ‘লোক ভবন’ (Lok Bhavan)-এর মধ্যে রয়েছে প্রাসাদের দূরত্ব কমিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে রাজভবনকে উন্মুক্ত করার অভিপ্রায়। রাজ্যপালের উদ্যোগ ‘জন রাজভবন’ প্রায় তিন বছর ধরে কার্যক্রমের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে। এই সময়ে রাজভবন প্রাকৃতিক বিপর্যয়, সামাজিক উদ্বেগ বা নির্যাতন-অভিযোগের মতো নানা ক্ষেত্রে সরাসরি জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। এখন এই নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে সেই কাজকে আইনী ও প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি দেওয়া হবে।
পুনঃনামকরণ করার সিদ্ধান্ত (Lok Bhavan)
কেন্দ্রীয় গৃহমন্ত্রকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের সমস্ত (Lok Bhavan) রাজভবন ও রাজনিবাসকে যথাক্রমে ‘লোক ভবন’ ও ‘লোক নিবারণ/নিবাস’ নামে পুনঃনামকরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রকের এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য ছিল খাঁটি জন-উদ্যোগ এবং জনসেবামূলক ভাবনার প্রতিফলন ঘটানো। পশ্চিমবঙ্গের রাজভবনও এই নির্দেশনার আওতায় নতুন নাম পেয়েছে।

কেবল নাম নয়; এটি একটি কর্মযোজনা
রাজ্যপালের মতে, ‘লোক ভবন’ কেবল নাম নয়; এটি একটি কর্মযোজনা। জনসাধারণের সমস্যা-আশঙ্কা দ্রুত শুনে প্রয়োজনে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা করা এবং সামাজিক ত্রুটির মধ্যে মধ্যস্থতা করা-এই সমস্ত কাজের মাধ্যমে রাজভবন জনগণের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করেছে। নতুন নামের মাধ্যমে সেই কার্যক্রমকে আরও প্রসারিত ও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: Flight Control Glitch: সৌর ঝড়ে বিপদে বিমান, এ৩২০ ফ্লাইট ক্র্যাশের আশঙ্কা!
রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস তিন বছর ধরে বাংলায় সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে কাজ করেছেন। এই সময়ে তিনি নানা বিতর্কিত পদক্ষেপও নিয়েছেন, যেমন রাজ্যে বিল সইয়ের ক্ষেত্রে দেরি বা রাজনৈতিক উত্তেজনা নিয়ে মন্তব্য করা। যদিও এসব পদক্ষেপ মাঝে মাঝে বিতর্ক সৃষ্টি করলেও, সামগ্রিকভাবে রাজ্যপাল বাংলার মানুষের জন্য কাজ করতে পছন্দ করেন এবং গ্রামবাংলার জীবন ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও সময় কাটাতে আগ্রহী।

সিভি আনন্দ বোসের টুইটে বলা হয়েছে, “লোক ভবন হিসেবে কাজের ক্ষেত্র আরও বাড়বে। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা মেটানোর জন্য রাজভবনের ভাবমূর্তি বদলানো প্রয়োজন ছিল।” এইভাবে, প্রায় তিন বছরের জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নতুন নামের সংযোগ রাজভবনের ভাবমূর্তিকে সাধারণ মানুষের আরও কাছে নিয়ে এসেছে।


