Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: স্মার্টফোন বদলেও শেষ রক্ষা হলো না বিধায়কের।কর্নাটকের সাহাপুর থানা এলাকা থেকে গ্ৰেফতার করা হয় তারকেশ্বরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক তথা আরামবাগ, সাংগঠনিক জেলা সভাপতি রামেন্দু সিংহ রায়কে। সেখান থেকে তিনদিনের ট্রানজিট রিমান্ডে রবিবার রাতে নিয়ে আসা হয় ধনিয়াখালি থানায় (Ramendu Singha Roy)।

কর্নাটক থেকে পলাতক (Ramendu Singha Roy)
গত ১৯শে জুলাই বিশেষ টিম কর্নাটক থেকে পলাতক প্রাক্তন তৃনমূল বিধায়ক রামেন্দু সিংহ রায় ও তার এক সহযোগীকে গ্ৰেফতার করে। এরপর ট্রানজিট রিমান্ড নিয়ে পুলিশ রামেন্দু সিংহ রায়কে রবিবার সন্ধ্যায় ধনিয়াখালি থানায় নিয়ে আসে।
ছোড়া হয় ডিম (Ramendu Singha Roy)
থানার সামনে আগে থেকেই জড়ো হয়েছিল বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ধৃত রামেন্দু সিংহ রায়কে নিয়ে থানায় ঢোকার সময় বিক্ষোভে ফেটে পড়েন সকলে। ছোড়া হয় ডিম। চোর চোর স্লোগান তোলেন বিক্ষোভকারীরা। ছোড়া হয় জুতোর মালা। আগামী কাল ধৃত প্রাক্তন তৃনমূল বিধায়ককে চুঁচুড়া আদালতে নিয়ে পেশ করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে (Ramendu Singha Roy)
অভিযুক্ত প্রাক্তন তৃনমূল বিধায়ক ঘটনার পরের দিন থেকেই পলাতক। তারকেশ্বর থেকে চলে যান উড়িষ্যা। সেখান থেকে বিশাখাপত্তনম। সেখান থেকে হায়দ্রাবাদ তারপর কর্নাটক। অভিযুক্ত রামেন্দু সিংহ রায় স্মাট ফোন ছেড়ে ব্যবহার করেছিলেন ছোট ফোন। ফলে তার টাওয়ার লোকেশন ধরে ধাওয়া করতে বেগ পেতে হয় তদন্তকারীদের। তারপরেও হলো না রক্ষা। অবশেষে কর্নাটকের সাহাপুর থেকে তাকে গ্ৰেফতার করতে সমর্থ হয় পুলিশ।

ত্রানসামগ্রী মজুত রাখা (Ramendu Singha Roy)
গত ১১ ই জুন ধানিয়াখালির কোটালপুর এলাকায় তার বাড়ি লাগোয়া বিবেকানন্দ টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (প্রাক্তন বিধায়কের মালিকানাধীন) থেকে সরকারী লোগো দেওয়া ত্রিপল, কম্বল, ডাস্টবিনসহ বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার হয়। ঘটনায় নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ধনেখালি থানার পুলিশ, বেআইনিভাবে ত্রানসামগ্রী মজুত রাখা, হুমকী, সহ একাধিক ধারায় তারকেশ্বরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রামেন্দু সিংহ রায় সহ একাধিক ব্যক্তির নামে মামলার রুজু করে পুলিশ।
আরও পড়ুন: Bus Problem Howrah: সোমবার সাতসকালে বাস বিভ্রাট! নাজেহাল নিত্য যাত্রীরা
পাশাপাশি অস্ত্র আইনেও মামলা রুজু করে পুলিশ। ঘটনায় হুগলি জেলা গ্রামীণ পুলিশের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ টিম গঠন করে তদন্ত শুরু করেন আধিকারিকরা । অবশেষে কর্নাটক থেকে প্রাক্তন বিধায়ককে গ্ৰেফতার করা হয়।



