Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রায় ১৯ মাস পর অবশেষে নতুন (RG Kar) করে প্রাণ ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হল আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল-এর জরুরি বিভাগে। ২০২৪ সালের আগস্টে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ঘটনার পর থেকে কার্যত বন্ধই ছিল এই গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা। সেই সময় এক মহিলা চিকিৎসকের উপর নৃশংস হামলার প্রতিবাদে আন্দোলনের মধ্যেই হাসপাতালে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে, যার জেরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে পরিকাঠামো।
জরুরি বিভাগের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন (RG Kar)
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বুধবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ (RG Kar) জরুরি বিভাগের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পূর্ত দফতরের আধিকারিকরাও। কীভাবে ধাপে ধাপে মেরামতির কাজ এগোনো হবে, কোন প্রবেশদ্বার চালু করা হবে-এই সব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ইতিমধ্যেই জমে থাকা ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে ইঙ্গিত
হাসপাতাল সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে, সব কিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আংশিকভাবে পরিষেবা চালু হতে পারে। প্রথম ধাপে সীমিত সংখ্যক জরুরি শয্যা এবং পর্যবেক্ষণ বেড চালুর ভাবনা রয়েছে। তবে সম্পূর্ণ পরিষেবা চালু করতে সময় লাগবে বলেই মনে করা হচ্ছে। এদিকে, এতদিন ট্রমা কেয়ার সেন্টারেই জরুরি পরিষেবা চালানো হচ্ছিল। কিন্তু সেখানে সাম্প্রতিক কিছু অস্বস্তিকর ঘটনার পর পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ফলে দ্রুত মূল জরুরি বিভাগ সচল করার প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়েছে।

আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: কমিশনের ওয়েবসাইটে বিভ্রাট, ‘টেকনিক্যালি বজ্জাতি’: তোপ দাগলেন মমতা
বড় অঙ্কের হিসাব
মেরামতির খরচ নিয়েও উঠে এসেছে বড় অঙ্কের হিসাব। ভাঙচুরে ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রপাতি মেরামত এবং নতুন করে পরিষেবা গড়ে তুলতে উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় হতে পারে। সব মিলিয়ে খরচ প্রায় এক কোটির কাছাকাছি পৌঁছতে পারে বলে অনুমান। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, আইনি জটিলতার কারণেই এতদিন কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই কাজ শুরু হয়েছে। এখন নজর, কবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে জরুরি পরিষেবা এবং আগের মতোই রোগীরা নির্ভর করতে পারবেন এই গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের উপর।


