Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ত্রয়ণ চক্রবর্তী: পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির অন্দরে সংগঠনের প্রতিটি স্তরে সততা, স্বচ্ছতা এবং দলীয় আদর্শ মেনে চলার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হল (Shamik Bhattacharya)। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের নামে জারি হওয়া একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি ইতিমধ্যেই জেলার পর জেলা বিজেপির বিভিন্ন সাংগঠনিক গ্রুপ এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বুথ স্তর থেকে রাজ্য স্তর পর্যন্ত সমস্ত কার্যকর্তা ও নেতৃত্বকে সতর্ক থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কড়া অবস্থান (Shamik Bhattacharya)
বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি দলের নীতির বাইরে গিয়ে অনৈতিক কাজ বা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হলে তার দায়ভার দল নেবে না। অভিযোগের প্রমাণ মিললে পদ বা সাংগঠনিক অবস্থান নির্বিশেষে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। সাংগঠনিক ও প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপের ইঙ্গিত রয়েছে এই বার্তায়।
ব্যক্তিগত স্বার্থে দলের ভাবমূর্তি নয় (Shamik Bhattacharya)
রাজ্য বিজেপির এই সতর্কবার্তায় ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে দলের ভাবমূর্তি যাতে ক্ষুণ্ণ না হয়, সেদিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কর্মীদের ত্যাগ ও পরিশ্রমের মাধ্যমে যে সাংগঠনিক ভিত্তি তৈরি হয়েছে, কোনও ব্যক্তির অনভিপ্রেত কর্মকাণ্ডের কারণে তা যেন প্রশ্নের মুখে না পড়ে—সেই বিষয়টি সামনে রাখা হয়েছে।
জনসেবাকেই কার্যকর্তার প্রধান দায়িত্ব (Shamik Bhattacharya)
বিজ্ঞপ্তিতে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন এবং তা বজায় রাখাকে বিজেপি কর্মীদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে জনসেবামূলক কাজ করার পাশাপাশি দলের নীতি ও আদর্শকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংগঠনের সর্বস্তরে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ
জেলায় জেলায় বিজ্ঞপ্তিটি সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় বোঝা যাচ্ছে, বার্তাটি সংগঠনের নিচুতলা পর্যন্ত পৌঁছে দিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির উল্লেখ করে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য কার্যকর্তাদের সতর্ক করেছেন।
আরও পড়ুন: Kolkata Police : লালবাজার নয় ! কলকাতার ব্যাঙ্কগুলির নিরাপত্তায় বড় বদল
সব মিলিয়ে, এই বিজ্ঞপ্তি শুধু সতর্কবার্তা নয়, বরং সংগঠনের অভ্যন্তরে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি আরও কঠোর করার একটি সাংগঠনিক বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। আগামী দিনে এই নির্দেশ বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।



