Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চলতি আইপিএল-এ এখনও পর্যন্ত সবথেকে সফল অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। নেতৃত্বের পাশাপাশি তিনি ব্যাট হাতেও সফল (Shreyas Iyer)।
শ্রেয়সকে বদলে দিয়েছে সমালোচনা (Shreyas Iyer)
কিছু ঘটনা গল্পের মত মনে হলেও সত্যি। হগওয়ার্ড বলে এক জাদুর দুনিয়া। যেখানে যাওয়ার স্বপ্নে আজও বুঁদ বহু প্রজন্ম। নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে মানুষের সঙ্গে পরিচয় হল জাদুর কারিগরদের। ১৯৯৭-এর ২৬ জুন প্রকাশিত হল ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোজফার্স স্টোন’ নামে একটি বই। তারপর বাকিটা ইতিহাস। সেখানে হ্যারি পটার হোক বা প্রফেসর স্নেপ, মানুষের মুখে মুখে ঘুরছে নামগুলো। কিন্তু এই বই প্রকাশের গল্প মোটেও সহজ ছিল না (Shreyas Iyer)।
বলা যায় কোনও ক্রমে বিশ্ব জানতে পেরেছিল হ্যারি পটারের গল্প। প্রথম গল্প হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলজফার্স স্টোন’ প্রকাশের আগে নাকি প্রকাশকদের প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়েছিলেন লেখিকা জে কে রোওলিং। সেই কথা নিজেই জানিয়েছেন বহু জায়গায় লেখিকা। তাঁর সৃষ্ট জাদুকাঠিতেই মাতোয়ারা বিশ্ব কিন্তু সেটা হতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে লেখিকাকে। পড়তে হয়েছে প্রত্যাখানের মুখে। লোহা যেমন আগুনে না পুড়লে কঠিন এবং শক্ত হয় না তেমন মানুষ প্রত্যাখ্যান বা সমালোচনার মুখে না পড়লে আরও এগিয়ে যেতে পারে না। ক্রিকেট ময়দানে এই সময় সাফল্যের গল্প লিখছেন শ্রেয়স আইয়ার কিন্তু তাঁর উত্থানের পিছনেও রয়েছে সমালোচকদের কটাক্ষ।

ভারতের একদিনের ক্রিকেটে অন্যতম ধারাবাহিক ব্যাটারের নাম শ্রেয়স আইয়ার। নিজেকে সেই জায়গায় প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি। তবে এবার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নিজেকে নিয়ে গিয়েছেন অন্য উচ্চতায়। চলতি আইপিএল-এর সফল অধিনায়ক হিসেবে এখন তাঁর নাম অগ্রগণ্য। তবে শুধু নেতৃত্বে নয় ব্যাট হাতেও ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করে যাচ্ছেন দলের হয়ে। একের পর এক ম্যাচ জিতে পাঞ্জাব অপ্রতিরোধ্য। এই মুহূর্তে আইপিএল-এর টেবিল শীর্ষে রয়েছে পাঞ্জাব (Shreyas Iyer)।
তবে শ্রেয়স আইয়ারের এই সাফল্যের পিছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের লড়াই। তিনি নিজেই জানিয়েছেন সমালোচকদের কটাক্ষ তাঁকে আরও দৃঢ় করেছে। এই কঠিন পরিশ্রম এবং দৃঢ় মানসিকতাই তাঁর সাফল্যের চাবিকাঠি। এক সময় শর্ট বল খেলার দুর্বলতা ছিল পাঞ্জাব অধিনায়কের আর সেই কারণে তাঁকে বারবার পড়তে হয়েছে কটাক্ষের মুখে।
এমনকি তাঁকে এও শুনতে হয়েছে যে তিনি এই দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে পারবেন না। সেই মন্তব্যগুলি তাঁকে ভেঙে দেয়নি বরং আরও তাঁকে শক্তিশালী করেছে। বাধ্য করেছে আরও কঠোর পরিশ্রম করতে। আর পরিশ্রমের ফল তিনি পেয়েছেন হাতেনাতে।
শ্রেয়স আইয়ার জানিয়েছেন, ‘আমি এমন কথা সহ্য করতে পারি না যে তুমি এটা করতে পারবে না বা সম্বভ নয় করা। সেই সময় আমার মনে হয় আমাকে প্রমাণ করতে হবে যে আমি পারি।’ তিনি আরও যোগ করেন ‘লোকে যখন বলে তুমি আগের মত ফিরতে পারবে না তখন আমি নিজেকেই প্রশ্ন করি, কেন পারব না?’
আরও পড়ুন: CRPF Control Room: দ্বিতীয় দফায় প্রস্তুতি তুঙ্গে: সল্টলেক CRPF ক্যাম্পে বাহিনীর কন্ট্রোল রুম
শর্ট বল খেলার দুর্বলতা নিয়েও কথা বলেন পাঞ্জাব অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘আগে আমি শুধু বলটাকে ঠেলে দিতাম বা সিঙ্গল নিতাম। এখন যদি শর্ট বল আমার জোনে পাই, আমি সেটাকে ছক্কা মারার চেষ্টা করি।’ এর পাশাপাশি তিনি এখন ৫০ ওভার ব্যাটিং এবং ৩০০-র বেশি বল খেলার উপর জোর দিচ্ছেন। শ্রেয়স বলেন, ‘বোলার বল করার ঠিক আগে আমি দ্রুত নিজের পজিশনে চলে আসার চেষ্টা করি।’ উদাহরণ হিসেবে এবি ডি ভিলিয়ার্স, রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির ব্যাটিং ছন্দের কথাও বলেন তিনি (Shreyas Iyer)।


