Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মহাকাশ গবেষণা ও মানব মহাকাশযাত্রায় (Space Station) আরও একধাপ এগিয়ে গেল ভারত। ২০৩৫ সালের মধ্যে নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা করছে ভারত। মনে করা হচ্ছে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের বৈজ্ঞানিক গবেষণার পাশাপাশি মহাকাশ অর্থনীতি, প্রযুক্তি, ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেবে।
ভারত মহাকাশ স্টেশন (Space Station)
ভারত মহাকাশ স্টেশন (Space Station) হল ভারতের পরিকল্পিত একটি দেশীয় মহাকাশ স্টেশন। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং বলেছেন, ‘ভারত ২০৩৫ সালের মধ্যে নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন, ভারত অন্তরীক্ষ স্টেশন স্থাপন এবং ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে একজন ভারতীয় মহাকাশচারী পাঠানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।’ তিনি আরও জানান, এই পরিকল্পনা ভারতের বৃহত্তর ‘স্পেস ভিশন ২০৪৭’ এর একটি অংশ। যার লক্ষ্য দেশের মানব মহাকাশযাত্রা, মহাকাশ বিজ্ঞান এবং অন্বেষণ ক্ষমতাকে প্রসারিত করা।
ইসরোর ভূমিকা (Space Station)
তথ্যসূত্রে জানা যাচ্ছে, গগনযান, চন্দ্রযান এবং অন্যান্য মহাকাশ অভিযানের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ইসরো ভারতের এই মহাকাশ স্টেশনের উন্নয়ন, উৎক্ষেপণ ও পরিচালনায় নেতৃত্ব দেবে। এই দীর্ঘমেয়াদি চন্দ্রাভিযানের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিও উদ্ভাবন করবে। এছাড়াও স্টেশনের নকশা, মহাকাশ আরোহনকারীদের নিরাপদে পরিবহন সহায়তা প্রদান করার জন্য স্পেস-ডকিং প্রযুক্তি উন্নয়ন করা এবং মাইক্রোগ্র্যাভিটি গবেষণাকে সক্ষম করবে। দেশীয় মহাকাশ ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করতে ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপ এবং বেসরকারি সংস্থাগুলির সাথে কাজ করবে বলেও জানা যাচ্ছে।
স্টেশনের প্রথম পদক্ষেপ
এই অভিযানের লক্ষ্য হল, ভারতীয় মহাকাশচারীদের নিম্ন ভূ-কক্ষপথে পাঠানো এবং নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা। জানা যাচ্ছে, এই অভিযানে তিন সদস্যের একটি কর্মীদল প্রায় ৪০০ কিলোমিটার উচ্চতায় কক্ষপথে প্রায় তিনদিন অবস্থান করবে। এই কর্মসূচিতে একটি ‘ত্রু এস্কেপ সিস্টেম’ অন্তভুক্ত রয়েছে। যা মহাকাশচারীদের সুরক্ষা প্রদান করবে। এছাড়াও মহাকাশচারীদের দেওয়া হবে বিশেষ প্রশিক্ষণ।


