Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: যুবভারতীর সামনের মূর্তি সরিয়ে ফেলা হবে। জানিয়ে দিলেন নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)।
ক্রীড়ামন্ত্রীর বড় ঘোষণা (Nisith Pramanik)
বঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এবার যুবভারতীতে অস্তিত্ব হারিয়েছে বিশ্ববাংলা লোগো। ‘বিশ্ববাংলা’ লোগো সরিয়ে সেখানে স্থান পেয়েছে জাতীয় প্রতীক অশোকস্তম্ভ। এবার ভেঙে ফেলা হবে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের সামনের বিশাল মূর্তি। প্রাক্তন সরকারের সময়ে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে তৈরি হয়েছিল এই মূর্তিটি। এবার রাজ্যে নতুন সরকার আসার পর ক্রীড়া দফতরের মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক জানিয়েছেন সল্টলেক স্টেডিয়ামের বাইরে কাটা পা এবং তার ওপর ফুটবলের যে মূর্তি রয়েছে সেটা ভেঙে পরিবর্তন করা হবে (Nisith Pramanik)।
এই মূর্তির পরিবর্তে কীসের মূর্তি বসানো হবে সেই সম্পর্কে কিছু জানানি তিনি। রবিবার কলকাতা ডার্বি দেখে বেরিয়ে তিনি বলেন, ‘এই মূর্তিটা একটা লোগো মারা বিদঘুটে একটা মূর্তি। একটা কাটা পা আর তার ওপর একটা ফুটবল। আমার তো মনে হয় এই মূর্তিটা লাগানোর পর থেকেই বিগত যে সরকার তাদের খারাপ দিন আসা শুরু হয়ে গেছে। তারপর মেসি কাণ্ড ঘটল, সরকার চলে গেল। নিশ্চিত ভাবে আমরা ওরকম একটা অদ্ভুত মূর্তিকে রাখব না, যার কোনও মানে নেই, অর্থ নেই। আমরা ওটাকে পরিবর্তন করব।’

রবিবার ডার্বি দেখতে হাউসফুল ছিল স্টেডিয়াম। ম্যাচও হয়েছে হাড্ডাহাড্ডি তবে এই ম্যাচ শেষ পর্যন্ত ড্র হয়েছে। প্রথমবার কলকাতার ডার্বি দেখে ক্রীড়া মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক আপ্লুত। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফেডারেশন সভাপতি কল্যাণ চৌবে এবং প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। তাঁর কথায় স্পষ্ট যে তিনি ম্যাচ উপভোগ করেছেন।
আরও পড়ুন: Leopard: অবশেষে ধরা পড়ল ‘আতঙ্কের লেপার্ড’
মাঠ থেকে বেরিয়ে তিনি বললেন, ‘একট রোমহর্ষক ম্যাচ। দুই দলেরই দারুণ পারফরম্যান্স আমরা দেখেছি। খেলায় হার জিত থাকে। তবে দুই দলই আজকে যথেষ্ট ভাল খেলেছে।’ কলকাতার সমর্থকদেরও প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘সমর্থকরা কেউ কারোর থেকে কম নয়। এটা শান্তিপূর্ণ ভাবে ম্যাচ হল, এটা কলকাতা বলেই সম্ভব। বাংলায় ফুটবলের জনপ্রিয়তা আরও বাড়বে। এই পরিবেশটা কলকাতা বলেই সম্ভব। বিশ্বের অন্যান্য দেশের খেলোয়াড়রা যাঁরা এখানে এসে খেলে গেছেন তাঁরাও কলকাতার সমর্থকদের প্রশংসা করেছেন (Nisith Pramanik)।’


