Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তা মার্কওয়েন মুলিন জানিয়েছেন, টেম্পোরারি প্রোটেক্টেড স্ট্যাটাস (TPS)-এ থাকা অভিবাসীদের হয় স্থায়ী বৈধ বসবাসের অনুমতি নিতে হবে, নয়তো নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে(Trump Migrant)।
কী বললেন মুলিন? (Trump Migrant)
সিএনএনের State of the Union অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যারা স্থায়ী মর্যাদা পাননি, তারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পূর্ণ করুন। অন্যথায়, সরকার তাদের দেশে ফেরার ব্যবস্থা করবে। মুলিনের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র সরকার দেশে ফিরতে ইচ্ছুকদের বিমান ভাড়া এবং পুনর্বাসনের জন্য প্রায় ২,১০০ ডলার পর্যন্ত আর্থিক সহায়তাও দেবে।
সুপ্রিম কোর্টের রায়ের প্রভাব
সম্প্রতি মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ের ফলে প্রায় ৩.৫ লক্ষ হাইতিয়ান এবং ৬ হাজার সিরিয়ান অভিবাসীর TPS সুরক্ষা শেষ হওয়ার পথে। এর ফলে তারা অভিবাসন কর্তৃপক্ষের আটক বা বহিষ্কারের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।
TPS কী?
TPS এমন একটি ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্যান্য সংকট থেকে পালিয়ে আসা বিদেশিদের সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়। হাইতিকে ২০১০ সালের বিধ্বংসী ভূমিকম্পের পর এবং সিরিয়াকে ২০১২ সালের গৃহযুদ্ধের সময় এই সুবিধা দেওয়া হয়েছিল।
বিতর্ক কেন? (Trump Migrant)
সমালোচকদের মতে, হাইতি ও সিরিয়ার পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত সংকটপূর্ণ। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট নিজেই এই দুই দেশে ভ্রমণের বিরুদ্ধে সতর্কতা জারি রেখেছে। সেখানে সহিংসতা, সন্ত্রাসবাদ, অপহরণ এবং অপরাধের ঝুঁকি এখনও প্রবল।
আরও পড়ুন: Siliguri: নদী গিলে খাচ্ছে স্থানীয় কৃষকদের জমি
রিপাবলিকানদের মধ্যেও ভিন্ন মত (Trump Migrant)
ওহাইওর রিপাবলিকান গভর্নর মাইক ডিওয়াইন সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তকে “ভুল” বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর মতে, হাইতির পরিস্থিতি এখনো ভয়াবহ এবং সেখানে মানুষকে ফেরত পাঠানো উচিত নয়। এছাড়া রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য মাইক ললর ও ডন বেকন-ও হাইতিয়ান অভিবাসীদের TPS-এর মেয়াদ বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে।



