Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক বিবাহ প্রতারণায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দেশটির বিচার বিভাগ(US Fake Marriage)। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ১০ বছর ধরে চলা এই চক্রটি বিদেশি নাগরিকদের বেআইনিভাবে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ (গ্রিন কার্ড) দেওয়ার লক্ষ্যে এক হাজারের বেশি ভুয়া বিয়ের আয়োজন করেছিল।
ঘটনা কী ঘটেছিল? (US Fake Marriage)
নিউ ইয়র্কের ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের চার্জশিট অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত এই বিশাল নেটওয়ার্কটি পরিচালিত হয়। চীনা নাগরিকদের টার্গেট করে এই চক্রটি গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় এক লক্ষ মার্কিন ডলার পর্যন্ত হাতিয়ে নিত।
ভুয়ো বিয়ের কৌশল
মার্কিন নাগরিক চুক্তি: মার্কিন নাগরিকদের সর্বোচ্চ ৩০,০০০ ডলারের প্রলোভন দেখিয়ে রাজি করানো হতো।
এজেন্টদের কমিশন: নতুন মার্কিন নাগরিক জোগাড় করে দেওয়ার জন্য এজেন্টরা পেত ৫,০০০ ডলার পর্যন্ত কমিশন।
ভুয়া বিয়ের আয়োজন: বিবাহ নিবন্ধন করার ঠিক আগে প্রথমবার দেখা হতো পাত্র-পাত্রীর। কানেকটিকাট, জর্জিয়া, ফ্লোরিডা এমনকি চীন ও ভানুয়াতুতে ভুয়ো বিয়ের ফটোশুট আয়োজন করা হতো।
ইমিগ্রেশন কর্তাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা
শুধু বিয়ে দিয়েই এই চক্রের কাজ শেষ হতো না। ‘ইউএসসিআইএস’ (USCIS)-এর কর্মকর্তাদের বিশ্বাস অর্জন করতে মিথ্যা নথি তৈরি করা হতো:
ভুয়ো জয়েন্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও ট্যাক্স রিটার্ন।
বিদ্যুৎ বিল ও ইন্স্যুরেন্স পলিসির ভুয়া কাগজপত্র।
ইমিগ্রেশন ইন্টারভিউয়ের জন্য সাজানো উত্তর শিখিয়ে দেওয়া।
গ্রেফতার ও সম্ভাব্য শাস্তি (US Fake Marriage)
অভিযুক্তদের মধ্যে ১০ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করে আদালতের সামনে হাজির করা হয়েছে। অভিযুক্ত ১১ জন হলেন এমি চেং, জিয়াও মে চ্যান, ক্রিস্টিন লু, জিং ইয়ান ইয়ে, জিয়াও ইয়ান চেন, গ্যাং ঝেং, অ্যান্থনি চেং, মিশেল দুয়েনাস, অ্যাঞ্জেলা দুয়েনাস, সিগ্রিড সেতিনো এবং এরিকা জনসন(US Fake Marriage)।
আরও পড়ুন: Imran Khan: ইমরান খানের মৃত্যুর গুজব ও সেনার ব্যাখ্যা: আসল সত্য কী?
মার্কিন অ্যাটর্নিদের মতে, এটি দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় বিবাহ প্রতারণা বিরোধী অভিযান(US Fake Marriage)। অভিযুক্তদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে বিবাহ ও অভিবাসন জালিয়াতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তাদের সর্বোচ্চ ৫ বছরের জেল হতে পারে।



