Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল : ভারতীয় জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিক ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার (Shyama Prasad Mukherjee)। এই উপলক্ষে গঠিত রাজ্য পর্যায়ের উচ্চপর্যায়ের কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে সরকারের পরিকল্পনাগুলি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়।
১২৫ ফুটের বিশাল মূর্তি ও মিউজিয়াম (Shyama Prasad Mukherjee)
ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১২৫ ফুট উচ্চতার একটি বিশাল মূর্তি নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মূর্তির পাশাপাশি সেখানে একটি আধুনিক মিউজিয়ামও গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। হিডকোর পক্ষ থেকে প্রকল্পের বিস্তারিত পরিকল্পনা ও পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন কমিটির সামনে তুলে ধরা হয়। সেই প্রস্তাব অনুমোদনের পর দ্রুত কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পৈতৃক ভিটেতে তৈরি হবে সংগ্রহশালা (Shyama Prasad Mukherjee)
হুগলির জিরাটে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পৈতৃক ভিটেকে ঘিরেও বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সরকারের কেনা প্রায় ৩০ ডেসিমেল জমিতে একটি আধুনিক লাইব্রেরি ও সংগ্রহশালা নির্মাণ করা হবে। এর মাধ্যমে তাঁর জীবন, কর্ম ও ঐতিহাসিক ভূমিকা সম্পর্কে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আরও জানতে পারবে।
পাঠ্যক্রমে শ্যামাপ্রসাদের অবদান (Shyama Prasad Mukherjee)
স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষাক্ষেত্রে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদানকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। স্বাধীন ভারতের শিল্প ও শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে তাঁর ভূমিকা, কাশ্মীর নীতি এবং পশ্চিমবঙ্গ গঠনে তাঁর অবদান পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
প্রকাশিত হবে বিশেষ গ্রন্থ (Shyama Prasad Mukherjee)
তাঁর জীবন, রাজনৈতিক দর্শন, চিন্তাভাবনা এবং রাষ্ট্রগঠনে অবদান নিয়ে বাংলা ও ইংরেজি—দুই ভাষাতেই একটি পূর্ণাঙ্গ বই প্রকাশের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই গ্রন্থের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন : Abhishek Banerjee PA: শালবনি জমি মামলায় ফের সিআইডি-র জেরার মুখে সুমিত রায়
মতামত জানাতে অনলাইন পোর্টাল
শুধু সরকারি উদ্যোগেই সীমাবদ্ধ না থেকে সাধারণ মানুষ, বিভিন্ন সংগঠন এবং বিশেষজ্ঞদের মতামত ও প্রস্তাব গ্রহণের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের মাধ্যমে একটি অনলাইন পোর্টাল চালু করা হবে। ফলে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবর্ষ উদযাপনকে আরও বৃহত্তর জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে স্মরণীয় করে তোলার পথ খুলবে।



