Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর ‘পেন্টাগন’-এর নাম বদলে ‘ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার’ করার প্রস্তাব ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে(US Pentagon)। নাম পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় খরচ হবে প্রায় ৫০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি (প্রায় ৬৪ মিলিয়ন ডলার), মার্কিন কংগ্রেসে জমা দেওয়া প্রস্তাবে জানিয়েছে সংস্থাটি। তবে প্রতিরক্ষা দফতরের দাবি, এই ব্যয় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০২৭ সালের প্রতিরক্ষা বাজেটে “গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব” ফেলবে না।
‘ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার’ (US Pentagon)
প্রস্তাবে প্রতিরক্ষা আধিকারিকরা উল্লেখ করেছেন, দফতরের নাম পরিবর্তনের ফলে তাদের মূল লক্ষ্য অর্থাৎ যুদ্ধ করা এবং জেতার গুরুত্বকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরবে। গত বছর ট্রাম্প একটি এক্সিকিউটিভ অর্ডারে পেন্টাগনের নাম বদলের নির্দেশ দেন। তাঁর যুক্তি ছিল, ‘ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার’ নামটি আরও শক্তিশালী এবং সরাসরি বার্তা দেয়।
নয়া পরিচয়, নয়া ডিজাইনের প্রচুর খরচ
এই বিপুল ব্যয়ের পিছনে রয়েছে একাধিক কারণ। প্রথমত, শারীরিক রিব্র্যান্ডিং পেন্টাগন এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত শতাধিক সামরিক ঘাঁটিতে সাইনবোর্ড, সিল, লোগো, ফলক পরিবর্তন করতে হবে। পাশাপাশি সেনাদের ইউনিফর্ম, যানবাহনের চিহ্ন এবং ভবনের আনুষ্ঠানিক পরিচয়ও নতুন করে ডিজাইন করতে হবে।
প্রশাসনিক ও আইনি পরিবর্তন (US Pentagon)
দ্বিতীয়ত, প্রশাসনিক ও আইনি পরিবর্তন হাজার হাজার সরকারি নথি, চুক্তিপত্র, ডেটাবেস এবং আইনি নথিতে নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক উপস্থিতি বিশ্বজুড়ে মার্কিন সামরিক দফতরের অফিস, দূতাবাস এবং কমান্ড সেন্টারগুলিতেও এই পরিবর্তন কার্যকর করতে হবে।
আরও পড়ুন: Super El Nino: “সুপার” এল নিনো আতঙ্ক: ২০২৬-এ কি দুর্বল ভারতের বর্ষা?
বড়সড় আপডেট প্রয়োজন (US Pentagon)
সবশেষে, ডিজিটাল ও আইটি খাতে বড়সড় আপডেট প্রয়োজন। সরকারি ওয়েবসাইট, ইমেল ডোমেইন এবং সফটওয়্যার সিস্টেমে নতুন নাম সংযোজন করতে হবে। প্রস্তাব অনুযায়ী, মোট ব্যয়ের মধ্যে প্রায় ৪৪.৬ মিলিয়ন ডলার যাবে বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সংস্থা ও ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিতে, বাকিটা অন্যান্য বিভাগে বরাদ্দ থাকবে।



