Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পশ্চিমবঙ্গকে সুরক্ষিত করতে ও অনুপ্রবেশ (WB CM Suvendu Adhikary) রুখতে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। বুধবার থেকেই রাজ্যজুড়ে কার্যকর হল সম্পূর্ণ CAA। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, সিএএ-র আওতাভুক্ত নন এমন সমস্ত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে। তবে বাংলাদেশ থেকে আসা মতুয়া বা হিন্দু শরণার্থীদের আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তাঁদের ভয়ের কোনও কারণ নেই।
বিরাট ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর (WB CM Suvendu Adhikary)
পালাবদলের বাংলায় জাতীয় নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ (WB CM Suvendu Adhikary) অগ্রাধিকার দিয়ে বিরাট ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। বুধবার থেকেই কেন্দ্রের নির্দেশিকা মেনে রাজ্যে কার্যকর হতে চলেছে সম্পূর্ণ CAA। অনুপ্রবেশকারী হঠাতে ২০২৫ সালেই রাজ্যকে চিঠি দিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু তৎকালীন তৃণমূল সরকার রাজনৈতিক কারণে সেই নির্দেশিকা মানেনি। এবার দেশের সুরক্ষাকে মাথায় রেখে সেই থমকে থাকা আইন বুধবার থেকেই বলবৎ করল নতুন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, যাঁরা সিএএ-র অন্তর্ভুক্ত নন, তাঁরা এ দেশে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবেই গণ্য হবেন। রাজ্য পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করে বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেবে এবং নিয়ম মেনে তাঁদের পুশব্যাক করা হবে।

অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া আইন (WB CM Suvendu Adhikary)
সম্পূর্ণ CAA লাগু করা প্রয়োজন ছিল বলে জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। অনুপ্রবেশ রুখতে শুধু কড়া আইনই নয়, সীমান্ত সুরক্ষায় বছরের পর বছর ধরে আটকে থাকা জমি জট কাটাতেও বড় পদক্ষেপ নিয়েছে বিজেপি সরকার।
২৭ কিলোমিটার জমি কাঁটাতার দেওয়ার জন্য বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে আগের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকেও তোপ দাগেন শুভেন্দু অধিকারী।
বিগত কয়েক দশক ধরে সীমান্তে বিএসএফ এবং রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় বা কোনও উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়নি। কিন্তু নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর ইতিমধ্যেই একাধিক বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে এবং এখন থেকে নিয়মিত এই সমন্বয় বৈঠক চালানো হবে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। এক কথায়, বুধবার থেকেই অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সীমান্ত জুড়ে নজিরবিহীন কড়াকড়ির পথে হাঁটল রাজ্য সরকার।


