Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রকৃতির প্রবল রোষে ইতিমধ্যেই (WB Weather) বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার-একাধিক জেলা জলের তলায়। মিরিকে ধসের জেরে প্রাণ হারিয়েছেন অনেকে। তার মধ্যেই নতুন করে আতঙ্ক ছড়াল ভূটান থেকে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে সরাসরি সতর্ক করল ভূটান সরকার। কারণ, তাদের ওয়াং নদীর উপর নির্মিত টালা বাঁধের একটি গেট খোলা যাচ্ছে না।
প্রবল বৃষ্টির জেরে বাঁধে বিপুল পরিমাণ জল জমেছে (WB Weather)
ভূটান প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, প্রবল বৃষ্টির (WB Weather) জেরে বাঁধে বিপুল পরিমাণ জল জমেছে। গেট খুলে জল ছাড়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন তারা। ফলে বাঁধের উপর দিয়েই উপচে বইছে নদীর জল। এই পরিস্থিতিতে বাঁধ ভেঙে পড়লে ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়তে পারে।
বাঁধে যদি চাপে ফাটল ধরে বা ভেঙে যায়… (WB Weather)
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, বাঁধে যদি চাপে ফাটল ধরে বা (WB Weather) ভেঙে যায়, তাহলে জয়ন্তী ও ভূটানঘাট সহ আশেপাশের জনবসতিপূর্ণ এবং পর্যটন এলাকা প্লাবিত হয়ে যাবে। পাহাড় থেকে নেমে আসা বিপুল জলরাশি এক মুহূর্তে সর্বনাশ ডেকে আনতে পারে। ভূটান থেকে জানানো হয়েছে, যতক্ষণ না গেট খোলার কাজ সফলভাবে করা যাচ্ছে, ততক্ষণ প্রতিটি মুহূর্ত অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যাতে নদীর তীরবর্তী এলাকার মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির রেকর্ড
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস মিলে গিয়েছে বাস্তবে। একদিনে ভয়াবহ বৃষ্টিপাত হয়েছে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায়।
- কুর্তিতে ৩৭০ মিমি
- ডায়ানায় ৩৪৪ মিমি
- বানারহাটে ৩১০ মিমি
- গজলডোবায় ৩০২ মিমি
- মেখলিগঞ্জে ২৬৪ মিমি
- দার্জিলিংয়ে ২৬১ মিমি

এই পরিমাণ বৃষ্টিপাত যে কোনও জায়গায় নদীর জলস্তর অস্বাভাবিক বাড়িয়ে দেয়। ইতিমধ্যেই বহু এলাকা প্লাবিত। এমন পরিস্থিতিতে যদি টালা বাঁধ ভেঙে পড়ে, তার ধাক্কা সামলানো কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠবে প্রশাসনের পক্ষে।
সিকিমেও ভারী বর্ষণ
পাহাড়ের আরেক প্রান্ত, সিকিমেও কম হয়নি বৃষ্টি।
- নামথাংয়ে ১৫৫ মিমি
- মাজিটারে ১২৮ মিমি
- সোরেং, প্যাকিয়ং, রোংলি-প্রত্যেক জায়গায় ১১০ মিমির বেশি বৃষ্টিপাত
আরও পড়ুন: Train Cancelled: পুজোর পরই রেলযাত্রীদের বড়সড় দুর্ভোগ, বাতিল বহু ট্রেন!
কী অবস্থান সরকারের?
ডুয়ার্সে উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে। নদীর কাছাকাছি বসবাসকারীদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ চলছে। স্থানীয় প্রশাসন সতর্ক করে মাইকিং শুরু করেছে।


