Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: নিম্নচাপ আর ঘূর্ণাবর্তের (Weather Update) দাপটে একটানা বৃষ্টিতে হাঁসফাঁস করছে গোটা দক্ষিণবঙ্গ। মঙ্গল থেকে শুরু হওয়া প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত থমকে গিয়েছে কলকাতার জীবনযাত্রা। একদিন কেটে গেলেও এখনও জলমগ্ন অজয়নগর, গড়িয়ার মতো এলাকা। তার মধ্যেই ফের নতুন দুর্ভাবনার বার্তা দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর-আবার আসছে নিম্নচাপ! আর এই নিম্নচাপের সঙ্গে পুজোর পরিকল্পনাতেও ধাক্কা খেতে চলেছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব।
পরপর দুই ঘূর্ণাবর্ত (Weather Update)
আবহাওয়াবিদদের মতে, মঙ্গলবার যে নিম্নচাপের কারণে শহর (Weather Update) ভেসেছে, তা এখন ওড়িশা উপকূলে অবস্থান করছে এবং আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে তা দুর্বল হবে। তবে এতে আশার আলো দেখার সুযোগ নেই। কারণ ঠিক সেই সময়েই বঙ্গোপসাগরের মায়ানমার উপকূলে তৈরি হয়েছে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত। পূর্বাভাস বলছে, বৃহস্পতিবারের মধ্যে এটি নিম্নচাপে রূপান্তরিত হবে, শুক্রবার গভীর নিম্নচাপে এবং শনিবার তা স্থলভাগে ওড়িশা-অন্ধ্র উপকূল হয়ে ঢুকবে। তার মানে, এখনও অনেকটা বাকি বৃষ্টির দাপট।
একটার পর একটা দুর্যোগ (Weather Update)
সবচেয়ে উদ্বেগের খবর হল, এই ধারাবাহিক দুর্যোগের মধ্যেই ৩০ সেপ্টেম্বর (Weather Update), অর্থাৎ অষ্টমীর দিন, বঙ্গোপসাগরে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত প্রবেশ করতে চলেছে, যার উৎস সুদূর দক্ষিণ চিন সাগরে। সেটিও নিম্নচাপে পরিণত হলে নবমীর রাতেও মাটি হতে পারে উৎসবের আনন্দ। ফলে, এই বছরের পুজোয় একটার পর একটা দুর্যোগ যেন তাল মিলিয়ে হাজির হচ্ছে।
দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস
আপাতত, পঞ্চমীর দিন ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলায়। ষষ্ঠীর দিন কলকাতা সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এমন আবহাওয়ায় বাইরে বেরোতে হলে ছাতা, রেইনকোট, জল আটকে রাখা জুতো, এমনকি গাড়ির জন্য বাড়তি প্রস্তুতি রাখতে হবে।

আরও পড়ুন: Thursday Horoscope: সম্পর্কের জোয়ার, সিদ্ধান্তের দিশা ও সৌভাগ্যের স্পর্শ এই বৃহস্পতিবারে!
পুজোর নতুন জামা প্রস্তুত থাকলেও, এখন বৃষ্টি থেকে বাঁচতে নতুন ছাতা বা রেনকোটই হয়ে উঠছে সবচেয়ে জরুরি জিনিস। মণ্ডপ হপিং, ঠাকুর দেখা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা-সবকিছুই এখন নির্ভর করছে আকাশের মেজাজের ওপর।
এই মুহূর্তে বলা যায়, পুজোর এই আবহাওয়া শুধু জামাকাপড় নয়, উৎসবের মেজাজেও জল ঢেলে দিতে পারে।


