Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোলের সুযোগ নষ্টের মহড়া চললেও শেষ পর্যন্ত স্নায়ুর চাপ সামলে বাজিমাত করল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal Durand) । বুধবারের ডুরান্ড কাপের সেমিফাইনালে এসসি দিল্লিকে টাইব্রেকারে ৫-৩ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেল লাল-হলুদ ব্রিগেড। ২০২৩ সালের পর ফের ডুরান্ড কাপের খেতাবি লড়াইয়ে জায়গা করে নিল ক্লাবটি। এই ম্যাচে নির্ধারিত সময়ে দুই দলের লড়াই ছিল সমানে-সমান, তবে শেষ হাসি হাসল হাবাসের দল।
আক্রমণ ও দুর্ভাগ্যের প্রথমার্ধ (East Bengal Durand)
এবারের ডুরান্ডে এসসি দিল্লি দুর্দান্ত ছন্দে থাকলেও শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের ৩ মিনিটেই দারুণ আক্রমণ তৈরি করেন এডমুন্ড। ১৬ মিনিটে রশিদের ফ্রি-কিক এবং ১৯ মিনিটে জেসিনের শট পোস্টে লেগে প্রতিহত না হলে প্রথমার্ধেই এগিয়ে যেতে পারত লাল-হলুদ। অন্যদিকে, ৩২ মিনিটে গোলের সুযোগ নষ্ট করে দিল্লি। এর এক মিনিট পরেই বক্সে ফাউলের কারণে পেনাল্টি পায় তারা। তবে ত্রাতা হয়ে ওঠেন গোলকিপার প্রভসুখন গিল। ৩৫ মিনিটে ডান দিকে দারুণভাবে ঝাঁপিয়ে রদ্রিগোর নেওয়া পেনাল্টি রুখে দেন তিনি এবং প্রথমার্ধ গোলশূন্যভাবে শেষ হয়।
সুযোগ হাতছাড়ার দ্বিতীয়ার্ধ (East Bengal Durand)
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধার বজায় রাখে ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের ৭৪ মিনিটে রশিদের শট আবারও পোস্টে লেগে ফিরে আসে। অর্থাৎ ম্যাচে দুর্ভাগ্যের শিকার হয়ে দু’বার পোস্টে বল লাগে রশিদের। এছাড়া বদলি নামা ডেভিডও সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন। একাধিক সুযোগ তৈরি করেও পুরো ৯০ মিনিটে গোলের দেখা পায়নি ইস্টবেঙ্গল। গোল নষ্টের এই প্রদর্শনী নিঃসন্দেহে কোচ হাবাসের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলবে।
টাইব্রেকারে জয় (East Bengal Durand)
নির্ধারিত সময়ে গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে (East Bengal Durand)। সেখানে স্নায়ুর লড়াইয়ে অত্যন্ত নিখুঁত শট নেন ইস্টবেঙ্গলের ফুটবলাররা। প্রথম শটেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন আনোয়ার আলি। এরপর একে একে গোল করেন রোহিত দানু, লালচুংনুঙ্গা, ক্রিস ইকোনোমিডিস এবং রশিদ। অন্যদিকে, এসসি দিল্লির জুয়ান পেনার শট দুর্দান্তভাবে রুখে দেন গোলকিপার গিল। দিল্লির রদ্রিগো, ডুভান ও আইমেন গোল করলেও পেনার মিসই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয় এবং ফাইনালে পৌঁছে যায় ইস্টবেঙ্গল।



