Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সুকৃতি ভট্টাচার্য্য: স্বাধীনতা দিবসের আগে (ISI SIM Network) কোচবিহার থেকে তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতারের পর তাঁদের জেরা করে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে বলে STF সূত্রে খবর। তদন্তকারীদের দাবি, সীমান্তপথে পাচার হওয়া ভারতীয় সিম কার্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানের মাটি থেকে ভারতের বিরুদ্ধে একাধিক অপারেশন চালানোর চেষ্টা করছিল ISI।
তদন্তে কী উঠে এসেছে? (ISI SIM Network)
STF-এর তদন্তে উঠে এসেছে, একটি ভারতীয় সিম কার্ডকে (ISI SIM Network) ব্যবহার করে মূলত দুটি উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা করা হচ্ছিল। প্রথমত, পাকিস্তানের ভূখণ্ডে বসে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর কন্ট্রোল রুমে ফোন করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতানোর চেষ্টা করা হত বলে অভিযোগ। দ্বিতীয়ত, সেই ভারতীয় নম্বর ব্যবহার করে WhatsApp অ্যাকাউন্ট খুলে ভারতীয় জওয়ানদের হানি ট্র্যাপে ফেলার ছকও ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি।
সূত্রের খবর (ISI SIM Network)
সূত্রের খবর, পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডি, লাহোর এবং করাচির মতো এলাকায় বসে ভারতীয় নম্বর সক্রিয় করা হয়েছিল। এমনকী রাজস্থান সীমান্ত লাগোয়া পাকিস্তানি ভূখণ্ড থেকেও ভারতীয় সিম ব্যবহারের তথ্য তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বলে জানা যাচ্ছে। নম্বরগুলির লোকেশন ট্র্যাক করেই এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে STF সূত্রে দাবি।
চলছে জিজ্ঞাসাবাদ
তদন্তে আরও জানা যাচ্ছে, সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় পাচারকারীদের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও নেপাল হয়ে ভারতীয় সিম পাকিস্তানে পৌঁছে যেত বলে অভিযোগ। মাদক, গরু এবং জাল নোট পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার মহম্মদ শফিকুল ইসলাম, নূর নাসিরউদ্দিন আলি এবং রশিদুল হককে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই নেটওয়ার্ক সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে।
STF-এর সন্দেহ, সীমান্তপথে পাচার হওয়া ভারতীয় সিম পাকিস্তানের মাটিতে পৌঁছনোর পর সেগুলি ব্যবহার করত ISI-ঘনিষ্ঠ এজেন্টরা। ভারতের নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ থেকে শুরু করে ভারতীয় জওয়ানদের টার্গেট করে হানি ট্র্যাপ—একাধিক উদ্দেশ্যে এই সিম ব্যবহার করা হচ্ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
পুরো নেটওয়ার্কের সঙ্গে আর কারা যুক্ত, ভারতীয় সিম কীভাবে পাকিস্তানে পৌঁছত এবং এর পিছনে কোনও বড় আন্তঃদেশীয় চক্র রয়েছে কি না—এখন সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে STF।


