Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কলকাতা শহরে ফুটবলের উন্মাদনা সবসময়ই আলাদা, তবে আসন্ন আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচকে ঘিরে এই উদ্দীপনা নতুন মাত্রা পেয়েছে (IM VIJAYAN-BARRETO)। ভারতের দুই জনপ্রিয় ফুটবল ব্যক্তিত্ব—আই.এম. বিজয়ন এবং হোসে ব্যারেটো এই ম্যাচে গুডউইল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। কিক-অফের ঠিক আগে তাঁরাই খেলার অফিসিয়াল ম্যাচ বলটি মাঠে নিয়ে আসবেন। বিজয়ন এবং ব্যারেটোর এই উপস্থিতি ভারতীয় ফুটবলের বিভিন্ন প্রজন্মকে এক সুতোয় বেঁধে দেবে। স্পোর্টসম্যানশিপ, সংহতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের বার্তা নিয়ে তাঁদের এই আত্মপ্রকাশ ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা হতে চলেছে।
ব্রাজিল-উরুগুয়ের আগমন (IM VIJAYAN-BARRETO)
বাঙালির সামনেই দুর্গাপূজা তথা উৎসবের মরশুম। ঠিক এই সময়ে ব্রাজিল ও উরুগুয়ের মতো বিশ্ব ফুটবলের দুই পরাশক্তি কলকাতা পদার্পণ করায় শহরজুড়ে এক অনন্য উৎসব মুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। পর পর দুটি আন্তর্জাতিক ম্যাচের আয়োজন তিলোত্তমাকে এক বিশাল ফুটবল উৎসবে পরিণত করেছে, যা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ও বয়সের ফুটবল অনুরাগীদের এক ছাদের নিচে নিয়ে এসেছে। বাংলার সংস্কৃতিতে ফুটবলের স্থান যে কত গভীরে, এই ম্যাচ দুটিকে ঘিরে তৈরি হওয়া উন্মাদনা আবারও তা প্রমাণ করে।
মাঠের তারকা থেকে বিশ্বমঞ্চের দূত (IM VIJAYAN-BARRETO)
ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম কিংবদন্তি আই.এম. বিজয়ন এবং কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করে নেওয়া ব্রাজিলীয় জাদুকর হোসে ব্যারেটো—উভয়েই এ দেশের ফুটবল প্রসারে অপরিসীম অবদান রেখেছেন। মাঠের ৯০ মিনিটের খেলা ছাড়াও, খেলার আসল চেতনা ও সংহতিকে তুলে ধরাই এই আন্তর্জাতিক ম্যাচে তাঁদের বল উপস্থাপনার মূল উদ্দেশ্য। বিজয়ন ও ব্যারেটোর মতো দুই আইকনিক ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি এই ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ সিরিজের মর্যাদা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
ফুটবলের সার্বিক অগ্রগতি (IM VIJAYAN-BARRETO)
সম্প্রতি শেষ হওয়া ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে স্পেন এবং আর্জেন্টিনার সঙ্গে সফল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের পর, এই ঐতিহাসিক ফিফা পুরুষ আন্তর্জাতিক প্রীতি সিরিজে প্রধান পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে ‘স্টাইল বাজার’ এবং চালিকাশক্তি হিসেবে রয়েছে ‘আমুল’ (IM VIJAYAN-BARRETO)। পাশাপাশি, ফুটবল ভক্তদের এই বিপুল উন্মাদনাকে কাজে লাগিয়ে অফিসিয়াল মোবিলিটি পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে ‘ভারত ট্যাক্সি’। এই ব্র্যান্ডগুলির মূল উদ্দেশ্য ভারতে ফুটবলের প্রসার ও উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করা। সব মিলিয়ে, এই ম্যাচটি কেবল মাঠের লড়াই নয়, বরং কলকাতার ক্রীড়া ইতিহাসে এক নতুন রূপকথা লিখতে চলেছে।



