Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রিমিক মাঝি: সুপ্রিম কোর্টে সাময়িক স্বস্তি ‘বীরভূমের পলাতক পাথর সম্রাট’ টুলু মণ্ডলের (Tulu Mondal)। টুলু মণ্ডলের রক্ষাকবচ মঞ্জুর বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি শীল নাগুর বেঞ্চের। আগামী ১৭ নভেম্বরের মধ্যে রাজ্যে ফিরতে হবে টুলু মন্ডলকে এবং আগামী ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে তাঁর রক্ষাকবচ। এই সময় তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের।
সুপ্রিম কোর্টে রক্ষাকবচের আবেদন (Tulu Mondal)
গত মঙ্গলবারই সুপ্রিম কোর্টে রক্ষাকবচের আবেদন জানান টুলু মণ্ডল (Tulu Mondal)। তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী এবং দশ বছরের ভিসা নিয়ে পরিবারসহ দুবাইয়ে গিয়েছেন। তিনি দাউদ ইব্রাহিমের মতো দেশের সব থেকে বড় অপরাধী নন। রক্ষাকবচ পেলে ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে দেশে ফিরবেন টুলু মন্ডল। তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাননি।তাঁকে দু’সপ্তাহের জন্য রক্ষাকবচ দেওয়া হোক। তিনি দেশে ফিরবেন এবং যেখানে হাজিরা দিতে বলবেন, তিনি হাজিরা দেবেন। দেশে ফেরার পরে আরও দু’ তিন সপ্তাহের জন্য রক্ষাকবচ বহাল রাখা হোক। বুধবার শুনানিতে আদালত এমনটাই জানান টুলুর আইনজীবী মুকুল রোহতগি।
তদন্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা? (Tulu Mondal)
পাল্টা, রাজ্যের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতে বলেন, এটা কোনও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মামলা নয়। টুলু একটি বড় অপরাধমূলক সিন্ডিকেটের সদস্য। টুলু মণ্ডল দেশ ছেড়ে দুবাই পালিয়ে গিয়েছেন এবং ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর (দুবাই) বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাঁকে দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রক্ষাকবচের বিরোধিতা করে সলিসিটর জেনারেল বলেন, টুলুর বিরুদ্ধে আরও এফআইআর দায়ের হতে পারে। রক্ষাকবচকে কাজে লাগিয়ে বাংলায় তিনি যতদিন থাকবেন, সেই সময় প্রভাব খাটিয়ে তদন্তকে প্রভাবিত করতে পারেন।
আরও পড়ুন: Kali Puja 2026: কখন বাজি ফাটাবেন, কখন বিসর্জন? কালীপুজোয় কলকাতা পুলিশের কড়া নির্দেশিকা
সম্পর্কে বক্তব্য শুনে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তর বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, আগামী ১৭ নভেম্বরের মধ্যে টুলু মন্ডলকে দেশে তথা কলকাতায় ফিরতে হবে। যেদিন তিনি কলকাতায় ফিরবেন, সেদিন থেকে আরও তিন সপ্তাহ অর্থাৎ আগামী ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই সুরক্ষা কবচ বহাল থাকবে। ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত টুলু মন্ডলের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে না ফিরলে, আদালতের সামনে সব আইনি পথ খোলা থাকবে।


