Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কলকাতা মেট্রোর ব্লু লাইনে দক্ষিণেশ্বর স্টেশনে (Kolkata Metro Rail) রক্ষণাবেক্ষণের কাজের কারণে আপাতত মেট্রো পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে যাত্রীরা এখন বরাহনগর থেকে শহীদ ক্ষুদিরাম স্টেশন পর্যন্ত মেট্রো ব্যবহার করতে পারছেন। কিন্তু এই পরিষেবা সীমিত হওয়ায় অনেক যাত্রীকে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

ব্যস্ত সময়ে অপেক্ষা (Kolkata Metro Rail)
বিশেষত, ব্যস্ত সময়ে মেট্রো পাওয়ার জন্য দীর্ঘ সময় ধরে (Kolkata Metro Rail) অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে মেট্রোর ট্রেনগুলিতে অতিরিক্ত ভিড় থাকায় অনেক যাত্রীকে ট্রেন থেকে নামতে বাধ্য হতে হচ্ছে। ফলে স্টেশনগুলোতে জমছে মানুষের ভিড়, আর এই পরিস্থিতি বিশেষত অফিস-সময় বা পিক আওয়ারে যাত্রীদের জন্য বেশ অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছে।

সিগন্যালিং ব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণ কাজ (Kolkata Metro Rail)
মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানায়, দক্ষিণেশ্বর স্টেশনের কাছে সিগন্যালিং ব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণ (Kolkata Metro Rail) কাজ চলছে। তবে এ কাজ পূর্বনির্ধারিত ছিল না, এবং মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানায় যে তারা দ্রুত কাজ শেষ করে পরিষেবা পুনরায় স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে। দক্ষিণেশ্বর স্টেশনটি ব্লু লাইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন হওয়ায় এর পরিষেবা বন্ধ হওয়ার ফলে যাত্রীদের চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

পরিষেবা সীমাবদ্ধ
এই পরিস্থিতি নতুন নয়, কারণ এর আগে ব্লু লাইনের প্রান্তিক স্টেশন কবি সুভাষে মেট্রোর পিলারে ফাটল দেখা দেওয়ায় ওই স্টেশনও বন্ধ রাখা হয়েছিল। এরপর থেকে শহীদ ক্ষুদিরাম স্টেশন পর্যন্ত পরিষেবা সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে, ফলে যাত্রীদের জন্য আরও সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। গত এক মাস ধরে কলকাতা মেট্রোর বিভিন্ন বিভ্রাটের কারণে নিত্যযাত্রীরা সমস্যায় পড়ছেন। যেমন, ৩১ অক্টোবর মেট্রো পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার পর, প্রায় এক ঘণ্টা পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল এবং দমদম স্টেশন পর্যন্ত সিগন্যাল সমস্যা দেখা দেওয়ায় পরিষেবা পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: Auroras: রাতের আকাশে মেরুপ্রভা, দেখলে চোখ ধাঁধিয়ে যাবে!
বিভিন্ন বিভ্রাটের পরেও মেট্রো কর্তৃপক্ষ দ্রুত সমস্যার সমাধান করে সেবা চালু করার চেষ্টা করছে। তবে, যাত্রীদের অভিযোগ, সমস্যার তীব্রতা এবং সেবা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ায় তাঁদের যাতায়াত আরও দুর্বিষহ হয়ে পড়ছে। বিশেষত, দক্ষিণেশ্বর স্টেশন থেকে মেট্রো পরিষেবা বন্ধ থাকার কারণে অনেকেই বিকল্প পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন, যার ফলে তাদের যাত্রা সময়ও বেড়ে যাচ্ছে।


