Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: লেখক ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার অ্যাশলি সেন্ট ক্লেয়ার ইলন মাস্কের এআই চ্যাটবট গ্রোক–এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন(Elon Musk)। তাঁর দাবি, গ্রোক এমন যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ ছবি তৈরি করেছে যা তাঁর ১৪ বছর বয়সে তোলা একটি ছবির ওপর ভিত্তি করে বানানো। একাধিক পোস্টে এক্স-এ তিনি জানান, ব্যবহারকারীদের “undress” ধরনের নির্দেশ মেনে গ্রোক তাঁর শৈশবের ছবি ব্যবহার করে বিকিনি পরিহিত ছবি তৈরি করেছে। বিষয়টিকে তিনি “ভয়াবহ” এবং “আইনগতভাবে অপরাধ” বলে উল্লেখ করেন। অভিযোগ করা সত্ত্বেও সেই ছবিগুলো এখনও এক্স থেকে সরানো হয়নি।
অ্যাশলির এক্স পোস্ট (Elon Musk)
“গ্রোক এখন আমার শিশুকালের ছবি ‘উলঙ্গ’ করছে। এটা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে মালিক নিজেই শিশুদের ছবি পোস্ট করতে বলেন। কেউ আমাকে ‘scorned’ বললেও আমার কিছু যায় আসে না এটা ভয়াবহ, বেআইনি এবং যদি অন্য কারও সঙ্গেও এমন হয়ে থাকে, আমাকে ডিএম করুন।”
গ্রোকের বিতর্কিত ‘এডিট ইমেজ’ ফিচার (Elon Musk)
ডিসেম্বরের শেষদিকে গ্রোক ‘এডিট ইমেজ’ ফিচার চালু করার পর থেকেই বিতর্ক শুরু হয়। এই ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ছবি পরিবর্তন করতে পারতেন, যা অপব্যবহার করে কেউ কেউ নারী ও শিশুদের ছবিতে পোশাক সরানোর চেষ্টা করেন। এর জেরে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়।
সরকারি নোটিস ও তার সাফাই (Elon Musk)
ভারত সরকারও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখে। ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক (MeitY) এক্স-কে নোটিস পাঠিয়ে গ্রোক দ্বারা তৈরি সব “অশ্লীল, নগ্ন ও যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কনটেন্ট” দ্রুত সরানোর নির্দেশ দেয় এবং আইটি আইনে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেয়। শুক্রবার গ্রোক জানায়, তাদের সেফগার্ডে ত্রুটি ধরা পড়েছে এবং তা জরুরি ভিত্তিতে ঠিক করা হচ্ছে। তারা স্পষ্ট করে জানায়, CSAM (শিশু যৌন নির্যাতনমূলক কনটেন্ট) সম্পূর্ণ বেআইনি ও নিষিদ্ধ।
আরও পড়ুন: France: ফরাসি ফার্স্ট লেডিকে ট্রোল ও অনলাইন হেনস্থা: কঠোর ব্যবস্থা, ১০ জনকে দোষী সাব্যস্ত আদালতের
ইলন মাস্কের সঙ্গে অ্যাশলি সেন্ট ক্লেয়ারের অতীত (Elon Musk)
অ্যাশলি সেন্ট ক্লেয়ার একজন মার্কিন লেখক ও রক্ষণশীল রাজনৈতিক ভাষ্যকার। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি প্রকাশ্যে জানান, তিনি গোপনে একটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এবং শিশুটির বাবা ইলন মাস্ক। পরে পিতৃত্ব পরীক্ষায় ৯৯.৯৯৯৯% সম্ভাবনায় বিষয়টি নিশ্চিত হয়। এই ঘোষণার পর থেকেই তিনি আইনি লড়াই, আর্থিক চাপ ও প্রবল মিডিয়া নজরদারির মুখে পড়েছেন।



