Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নির্বাসনে থেকে প্রথমবার বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অন্তর্বর্তী সরকার ও তার প্রধান নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনুসের কড়া সমালোচনা করেছেন(Hasina)। জাতীয় সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে তিনি বর্তমান পরিস্থিতিকে “গভীর রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট” বলে দাবি করেন। বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে, গণতন্ত্র হুমকির মুখে।
‘মৃত্যুদণ্ডের রায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ (Hasina)
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (ICT) তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ও মৃত্যুদণ্ডের রায়কে তিনি “রাজনৈতিক প্রতিহিংসা” ও “ভিক্টরস জাস্টিস” বলে দাবি করেন। তাঁর অভিযোগ, ট্রাইব্যুনালের ম্যান্ডেট বেআইনিভাবে বদলানো হয়েছে, সংসদের অনুমোদন ছাড়াই বিচার চলছে, যা পুরো প্রক্রিয়াকে অসাংবিধানিক করে তুলেছে। তিনি বলেন, এই ধরনের রায় ভবিষ্যতে বড় আইনি জটিলতা তৈরি করবে।
ছাত্র আন্দোলন প্রসঙ্গে হাসিনা (Hasina)
২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলন প্রসঙ্গে হাসিনা বলেন, শুরুতে ন্যায্য দাবির আন্দোলন থাকলেও পরে তা সন্ত্রাসের রূপ নেয় এবং নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া দোষ চাপানো হয়েছে। দুর্নীতির মামলাগুলিও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে তিনি দাবি করেন।
অর্থনৈতিক সাফল্যের খতিয়ান (Hasina)
নিজের ১৫ বছরের শাসনকালের অর্থনৈতিক সাফল্যের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর আমলে দারিদ্র্য হ্রাস, পরিকাঠামো উন্নয়ন ও জিডিপি বৃদ্ধি ছিল উল্লেখযোগ্য, যা ভবিষ্যতেও টিকে থাকবে।
‘নির্বাচন গণতন্ত্রবিরোধী’
২০২৬ সালের নির্বাচন থেকে আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তকে তিনি গণতন্ত্রবিরোধী বলে আখ্যা দেন। তাঁর মতে, দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে কোনও নির্বাচনই অবাধ ও সুষ্ঠু হতে পারে না।
আরও পড়ুন: Sanskrit : দেশভাগের পর প্রথমবার: পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হচ্ছে সংস্কৃত
সংখ্যালঘুদের উপর হামলা নিয়ে উদ্বেগ (Hasina)
সংখ্যালঘুদের উপর হামলা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি এবং বলেন, রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। জাতীয় পুনর্মিলনের জন্য তিনি গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতিতে ফেরার আহ্বান জানান।



