Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিরাট-রোহিত দ্বিতীয় ম্যাচে বড় রান করতে না পারলেও কেএল রাহুল দলকে সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছে দেয়। কিন্তু শেষ হাসি হাসল নিউ জিল্যান্ড (Ind vs NZ)।
দ্বিতীয় ম্যাচ জয় নিউ জিল্যান্ডের (Ind vs NZ)
টসে হেরে প্রথম বল করার সিদ্ধান্ত নেয় নিউ জিল্যান্ড। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল করলেও এই ম্যাচেও বড় রান পেলেন না রোহিত শর্মা। বড় শট মারতে গিয়েই ২৪ রানে আউট হন রোহিত। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৪টি চার। রোহিত শর্মা বড় রান না পেলেও শুভমন গিল নিজের অর্ধশতরান পূরণ করেন। তবে এই ম্যাচেও তাঁর শর্ট বলে দুর্বলতার ছবি ধরা পড়ল। কাইল জেমিসনের বলে ৫৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন বিরাট (Ind vs NZ)। ম্যাচ শেষে কেএল রাহুলের সেঞ্চুরিকে ফিকে করে দলকে ম্যাচ জেতালেন মিচেল।
৯৯ রানে দুই উইকেট পড়ে গেলে পার্টনারশিপ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন বিরাট কোহলি ও শ্রেয়স আইয়ার। কিন্তু বড় রানের জুটি বাঁধতে পারেননি এই দুই তারকা। শ্রেয়স ড্রেসিং রুমে ফেরেন ৮ রানে ও বিরাট কোহলি ফেরেন ২৩ রানে। তবে এরপর খেলার হাল ধরেন কেএল রাহুল।
দলকে অনেক সময়ই কঠিন পরিস্থিতি থেকে বের করে এনেছেন কেএল রাহুল। এই ম্যাচেও দেখা গেল সেই ছবি। প্রথম ম্যাচেও যখন বিরাটের উইকেটের পর ভারত চাপে পড়ে যায় সেই ম্যাচেও শেষ পর্যন্ত মাঠে থেকে দলকে জিতিয়ে ফেরেন তিনি। এই ম্যাচেও উইকেট হারিয়ে যখন চাপ ভারতের উপর তখনও দলের হাল ধরেন কেএল।
তাঁর ১১২ রানের ইনিংসে রয়েছে ১১টি চার ও ১টি ছয়। শেষ পর্যন্ত নিজের সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন রাহুল। ভারতের স্কোর ৫০ ওভারের শেষে ২৮৪। ম্যাচে তিনটে উইকেট নেন ক্রিস্তিয়ান ক্লার্ক। একটি করে উইকেট নেন কাইল জেমিসন, জাকারি ফলকেস, জেডেন লিনক্স ও মিচেল ব্রেসওয়েল।

আরও পড়ুন: Uttar Pradesh: ৬ বছরের মেয়েকে পিটিয়ে আধমরা মা-বাবার!
রান তাড়া করতে নেমে নিউ জিল্যান্ডের হয়ে ওপেন করেন কনওয়ে এবং নিকোলস। নিউ জিল্যান্ড শিবিরে প্রথম ধাক্কা হানেন হর্ষিত রানা। তাঁর বলে কনওয়ের ব্যাটে লেগে অফস্টাম্প ভেঙে দেয়। ১৬ রানে ফিরতে হয় তাঁকে। তবে সেই সময়েই খেলাটা নিজেদের দিকে নিয়ে যান উইল ইয়ং ও ড্যারিল মিচেল। ৪৬ থেকে এই জুটি দলের রান নিয়ে যায় ২০৮-এ। ১৫২ বলে ১৬২ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন দুজন। ৯৮ বলে ৮৭ রান করে উইল ইয়ং আউট হওয়ার পর গ্লেন ফিলিপসের সঙ্গে পার্টনারশিপ করেন ড্যারিল মিচেল। মিচেল শেষ পর্যন্ত ১১৭ বলে ১৩১ রানে অপরাজিত থাকেন (Ind vs NZ)। বোলিং এবং ফিল্ডিং ব্যর্থতা দেখা গেল ভারতের এই ম্যাচে। তাছাড়াও প্রশ্ন উঠবে এই বোলিং ব্যর্থতার পরেও সামির দলে জায়গা না পাওয়া নিয়ে।
ক্যাচ মিস করার খেসারত দিতে হলো ভারতকে। হয়ত ড্যারিল মিচেল এত রান করতে পারতেন না। তিনি যখন ৮০ রানে ব্যাট করছিলেন তখন তাঁর ক্যাচ মিস করেন প্রসিধ কৃষ্ণ। খেলার ফলাফল ভারতের দিকে আসলেও আসতে পারতো এবং এই ম্যাচই সিরিজ নির্ণায়ক হয়ে যেত। তবে এখন দুই দলকেই অপেক্ষা করতে হবে শেষ ম্যাচের জন্য। দুই দলেরই লক্ষ্য থাকবে শেষ ম্যাচ জিতে সিরিজ নিজেদের নামে করতে। এখন দেখার বোলিং ও ফিল্ডিং ইউনিট শুধরে নিয়ে ভারত পরের ম্যাচ জিততে পারে নাকি সিরিজ জয় লেখা হয় নিউ জিল্যান্ডের নামেই (Ind vs NZ)।


