Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে হরমুজ প্রণালী এখন বিশ্বের অন্যতম উত্তপ্ত অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচলে কার্যত বাধা দিয়েছে ইরান। এর মধ্যেই ১০ এপ্রিল রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে গেছে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি অত্যাধুনিক নজরদারি ড্রোন, যা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে(US Drone Mystery)।
হঠাৎ উধাও ড্রোন (US Drone Mystery)
ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, MQ-4C Triton ড্রোনটি প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীর উপর নজরদারি চালানোর পর ইতালির নেভাল এয়ার স্টেশন সিগোনেল্লায় ফিরছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই এটি রাডার থেকে উধাও হয়ে যায়।
মার্কিন নৌবাহিনীর ব্যয়বহুল ড্রোন
MQ-4C Triton মার্কিন নৌবাহিনীর অন্যতম ব্যয়বহুল ড্রোন, যার মূল্য ২০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি। নর্থরপ গ্রুম্যান নির্মিত এই ড্রোনটি দীর্ঘ সময় ২৪ ঘণ্টারও বেশি ৫০,০০০ ফুট উচ্চতায় উড়ে নজরদারি চালাতে সক্ষম। এটি সমুদ্রপথে গোয়েন্দা নজরদারির জন্য বিশেষভাবে তৈরি এবং P-8A Poseidon বিমানের সঙ্গে যৌথভাবেও কাজ করতে পারে।
হঠাৎ দিক পরিবর্তন (US Drone Mystery)
ঘটনার দিন ড্রোনটি হঠাৎ দিক পরিবর্তন করে ইরানের দিকে সামান্য ঘুরে যায় এবং ৭৭০০ কোড পাঠায়, যা সাধারণত জরুরি পরিস্থিতির সংকেত। কিছু রিপোর্টে বলা হচ্ছে, এর আগে ৭৪০০ কোডও পাঠানো হয়েছিল, যা নিয়ন্ত্রণ হারানোর ইঙ্গিত দেয়। এরপর ড্রোনটি ৫০,০০০ ফুট থেকে দ্রুত নেমে ১০,০০০ ফুটের নিচে চলে আসে এবং তারপরই অদৃশ্য হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: RBI UPI: জালিয়াতি রুখতে বড় পদক্ষেপ RBI-এর: ডিজিটাল লেনদেনে কোন নিয়ম চালু?
কী হল ড্রোনটির? (US Drone Mystery)
মার্কিন নৌবাহিনী এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। ফলে প্রশ্ন উঠছে ড্রোনটি কি দুর্ঘটনায় ভেঙে পড়েছে, নাকি ইরান সেটিকে ভূপাতিত করেছে? যদি ইরানই এটি গুলি করে নামিয়ে থাকে, তবে তা হবে মার্কিন সামরিক প্রযুক্তির বিরুদ্ধে বড়সড় চ্যালেঞ্জ এবং তেহরানের শক্তি প্রদর্শনের স্পষ্ট বার্তা।



