Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে রাজনৈতিক আবহ ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে (Sandeshkhali)। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেস প্রথমবারের মতো এক আদিবাসী মহিলাকে প্রার্থী করায় এলাকায় নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় আদিবাসী সমাজের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

বিজেপিতে বড় ভাঙন, তৃণমূলে শক্তি বৃদ্ধি (Sandeshkhali)
ভোটের মুখেই সন্দেশখালিতে বিজেপিতে বড়সড় ভাঙন দেখা গেল। প্রায় ৫০ জন কর্মী, সমর্থক ও নেতৃত্ব একযোগে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছেন। ধামাখালিতে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই যোগদান পর্ব সম্পন্ন হয়। এই যোগদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল প্রার্থী ঝর্ণা সরদার, ব্লক সভাপতি দিলীপ মল্লিক এবং সুকুমার মাহাতো। তাঁদের হাত ধরেই বিজেপি থেকে আগত নেতাকর্মীরা আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে যোগ দেন।
লোকসভা ভোটের ফলাফল (Sandeshkhali)
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে সন্দেশখালি বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রায় ৮ হাজার ভোটে পিছিয়ে ছিল। তবে সাম্প্রতিক এই ভাঙন এবং প্রার্থী নির্বাচনের কৌশলগত পরিবর্তনের ফলে ২০২৬ সালের নির্বাচনে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলাতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সারনা ধর্ম ইস্যুতে কেন্দ্র-বিরোধী সুর (Sandeshkhali)
তৃণমূলে যোগদানকারী বিজেপি নেতাকর্মীরা তাঁদের বক্তব্যে স্পষ্টভাবে জানান, সারনা ধর্মের স্বীকৃতি আদায়ের দাবিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সহ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এই স্বীকৃতি আটকে রেখেছে। এই ইস্যুতেই প্রতিবাদ জানিয়ে এবং আদিবাসী সমাজের অধিকারের দাবিতে তাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন বলে জানান।
আদিবাসী সমাজের প্রতিনিধিত্ব (Sandeshkhali)
যোগদানকারী নেতারা আরও বলেন, স্বাধীনতার পর এই প্রথম সন্দেশখালিতে কোনো আদিবাসী মহিলাকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। নারী শক্তির ক্ষমতায়ন এবং আদিবাসী সমাজের উন্নয়নের লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আদিবাসী সমাজের উন্নয়নে যে কাজ হচ্ছে, তার সঙ্গী হতেই তাঁদের এই সিদ্ধান্ত বলে দাবি করেন তাঁরা।

আরও পড়ুন: Badminton Ayush Shetty: রূপোয় থামতে হল আয়ুষকে!
উন্নয়নের স্বার্থেই দলবদল
তৃণমূলে যোগদানকারী কর্মী-সমর্থকদের দাবি, রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার উদ্দেশ্যেই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সন্দেশখালির উন্নয়ন ও এলাকার মানুষের স্বার্থেই তাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা হাতে তুলেছেন।



