Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০২৩ সালের পর থেকে মার্কিন (US Scientists Missing) যুক্তরাষ্ট্রে একের পর এক বিজ্ঞানীর রহস্যজনক অন্তর্ধান ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে। সংখ্যা অন্তত ৯, এমনকি তা ১০-এ পৌঁছতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। এঁদের প্রত্যেকেই যুক্ত ছিলেন অত্যন্ত স্পর্শকাতর গবেষণার সঙ্গে-পরমাণু প্রযুক্তি, মহাকাশ বিজ্ঞান কিংবা প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত উচ্চস্তরের প্রকল্পে। ফলে ঘটনাগুলি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত নিখোঁজ হওয়া নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ছে।
অস্বাভাবিক মৃত্যু (US Scientists Missing)
এই ঘটনাগুলির মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা (US Scientists Missing) হঠাৎ করেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর ফেরেননি। তাঁদের সঙ্গে ছিল না ফোন, মানিব্যাগ বা প্রয়োজনীয় কোনও জিনিস। আবার কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে, যা আরও সন্দেহ বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাঁরা যুক্ত ছিলেন-যেমন লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি বা নাসার জেট প্রপালশন ল্যাব-সেগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
মুখ খুলেছে হোয়াইট হাউস (US Scientists Missing)
এই প্রেক্ষাপটে অবশেষে মুখ খুলেছে হোয়াইট হাউস। প্রেস সচিব Karoline Leavitt জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে এখনও সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি, তবে অভিযোগ সত্য হলে তা অবশ্যই গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। তাঁর এই মন্তব্যের পরেই প্রশ্ন উঠছে-এতদিন কি তবে প্রশাসন বিষয়টি সম্পর্কে অবগতই ছিল না, নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে নীরবতা বজায় রাখা হয়েছিল?
আরও পড়ুন: Dipsita Dhar: দীপ্সিতা লালের হাল কতটা ফেরাতে পারবেন?
কাকতালীয় ঘটনা!
সমালোচকদের মতে, এই ধরনের ঘটনা নিছক কাকতালীয় নয়। এর পেছনে থাকতে পারে সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র, যার লক্ষ্য হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা সংক্রান্ত তথ্য হাতিয়ে নেওয়া। বিশেষ করে যখন বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা ও গুপ্তচরবৃত্তির আশঙ্কা বাড়ছে, তখন এই ধরনের নিখোঁজের ঘটনা উদ্বেগজনক।


