Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: এই সোশ্যাল যুগে এসে বার্তা পাঠানো কিংবা কথার ধরণ খুব ছোট হয়ে যাচ্ছে দিনের পর দিন, এক মেসেজেই মনের সমস্ত ভাব প্রকাশ হয়ে যাচ্ছে (Texting Style)। ছোট মেসেজ তার ঠিক পশে একটা মানানসই ইমেজি ব্যাস সব অনুভূতি প্রকাশ করা যায় ঠিক এই ভাবেই, মনের ভিতর কী চলে, তা কি কেবল তাদের লেখা মেসেজ পড়েই জানা যায়? মেসেজে তো চাইলেই মিথ্যে কথাও লিখতে পারে মানুষ। কিন্তু মনস্তত্ত্ব বলছে, মেসেজে কী লেখা রয়েছে, তার চাইতেও জরুরি প্রশ্ন হল কেমনভাবে লেখা রয়েছে।

মনের ভাষা আর টাইপিং এর ভাষা আলাদা? (Texting Style)
আপনি এক মেসেজেই অনেকখানি লেখেন, নাকি টুকরো টুকরো শব্দ ভেঙে ছড়িয়ে দেন মেসেজের পর মেসেজে? ইমোজির মধ্যে সবথেকে বেশি পছন্দের কোনগুলো? চট করে উত্তর দেন, নাকি ‘সিন’ করেও ফেলে রাখেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা? সেইসব থেকেই বোঝা যাবে মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। আমাদের মনস্তাত্বিক গঠনের অনেকটাই নাকি উন্মুক্ত হয়ে যায় আমাদের মেসেজ লেখার ধরণে, বলছে মনোবিজ্ঞান।

কথার শেষে দাঁড়ি টানেন! (Texting Style)
জেনজি সমাজ একাধারে অনেকখানি বলে যাওয়ার চাইতে ভাঙা ভাঙা মেসেজ লিখে মনের ভাব প্রকাশ করে, জানাচ্ছেন মনস্তত্ববিদরা। এর অন্যতম কারণ, ধৈর্যের অভাব। বড় মেসেজ পড়তে তাদের ক্লান্ত লাগে। তাছাড়া মানসিকভাবে তারা ভীষণ অস্থির। এমন লেখায় কখনওই প্রায় বাক্যের শেষে দাঁড়ি দিতে দেখা যায় না তাদের। আর তাই, যখন কেউ মেসেজে লেখা বাক্যের শেষে দাঁড়ি অথবা ফুলস্টপ দেন, তখন বুঝতে হবে যে সে মানুষ গম্ভীর প্রকৃতির। হয়তো রগচটা। কথা বলেন কম, রাগ পুষে রাখেন দীর্ঘ সময়। সহজেই আহত হন। ফুলস্টপ দিয়ে কেবল বাক্যটি নয়, সম্পর্কটিকেও গণ্ডিতে বেঁধে দিতে চান যেন।
লেখা শেষে তিনটে ডট! (Texting Style)
বাক্যের শেষে তিনটে ডটের অর্থ জানেন, বাক্যটি সেখানেই শেষ নয়। তার সমাপ্তি অনিশ্চিত। কোনও গল্পে যখন চরিত্রের সংলাপের শেষে এই তিন ডট দেওয়া হয়, তখন হতে পারে কথার মাঝেই অন্য কোনও ভাবনায় হারিয়ে গিয়েছে চরিত্রটি। অথবা কী বলবে, তা বুঝে না পেয়ে কথার মাঝে থমকে গিয়েছে। দেখা যাচ্ছে, যারা প্রায়শই এই তিন ডট ব্যবহার করেন, তারা সচরাচর অনিশ্চয়তায় ভোগেন। কথা বলতে শুরু করে প্রসঙ্গ ভুলে যান।

আরও পড়ুন: Minakshi Mukherjee: “আইনের শাসন রসাতলে” মীনাক্ষীর মতে ভোটেই জবাব দেবে মানুষ!
রিপ্লাই দিতেই অধীর অপেক্ষা করান?
কিছু মানুষ মেসেজ দেখেও রিপ্লাই দেন না অপেক্ষায় বসিয়ে রাখতে পছন্দ করুন। কেউ কেউ আবার মেসেজ পাওয়া মাত্র রিপ্লাই টাইপ করতে বসে যান। মনোবিদরা বলছেন, অস্থিরচিত্ত অথবা অতিসংবেদনশীল মানুষেরা সচরাচর চটজলদি রিপ্লাই করেন। শুধু তাই নয়, প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত বেশি কথা লিখবেন এঁরা। উলটোদিকের মানুষ উত্তর দিতে দেরী হলে আগেই ভাবতে বসবেন।



