Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিয়ের পর বধূ ও তাঁর পরিবারের প্রতি অপমান, মানসিক নির্যাতন এবং পণ-সংক্রান্ত হয়রানির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিল সুপ্রিম কোর্ট(Domestic Violence SC)।
‘হয়রানি বন্ধ হতেই হবে’ (Domestic Violence SC)
এক মামলার শুনানিতে শীর্ষ আদালত মন্তব্য করে, “এই হয়রানি বন্ধ হতেই হবে।” আদালতের পর্যবেক্ষণ এমন সময়ে সামনে এল, যখন ভোপালের ত্বিশা শর্মার মৃত্যুর ঘটনা দেশজুড়ে আলোচনায় রয়েছে।
হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার আদালতের
বিচারপতি বিভি নাগারত্না ও বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়ার বেঞ্চ ছত্তিশগড়ের একটি পণ-নির্যাতন সংক্রান্ত মামলায় স্বামীর ছোট ভাইয়ের দণ্ড বহাল রাখে। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে দেওয়া সাজায় হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করে আদালত।
মৃত্যুর সঙ্গে পণের দাবি ও হয়রানির যোগ
মামলাটি ২০১০ সালের। বিয়ের তিন বছরের মধ্যেই এক মহিলাকে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ, স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে টাকা ও গাড়ির দাবিতে তাঁকে মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন। ট্রায়াল কোর্ট মনে করে, এই ধারাবাহিক পণ-দাবি ও হয়রানির সঙ্গে মহিলার মৃত্যুর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। পরে ছত্তিশগড় হাইকোর্টও সেই রায় বহাল রাখে।
‘অপমান করা চলবে না’
শুনানির সময় বিচারপতি নাগারত্না প্রশ্ন তোলেন, “ছেলেরা বিয়ে করে কেন, যদি পরে মেয়ে ও তাঁর পরিবারকে অপমানই করতে হয়?” তিনি আরও বলেন, “একটা বার্তা যাক বধূ ও তাঁর পরিবারকে অপমান করা চলবে না।”
কনের পরিবারকে ‘ভিখারি’ বলে অপমান (Domestic Violence SC)
আদালত অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে জানায়, কনের পরিবারকে ‘ভিখারি’ বলে অপমান করা হয়েছিল। বিচারপতি নাগারত্না বলেন, “মেয়ের বাবা ৬০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলেছিলেন, আর তাঁদের ভিখারি বলা হয়েছে। মেয়েকে বাঁচানোর জন্য পরিবার অনুরোধ করছিল।”
আরও পড়ুন: Don 3: ডন ৩ বিতর্কে সলমনের হস্তক্ষেপ! বণবীর-ফারহান দ্বন্দ্ব মেটাতে কী করলেন ভাইজান?
আবেদন খারিজ আদালতের (Domestic Violence SC)
অভিযুক্তের আইনজীবী এফআইআর দায়ের করতে বিলম্বের প্রসঙ্গ তুললেও আদালত তা গ্রহণ করেনি। বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়া মন্তব্য করেন, “এরা শিক্ষিত মানুষ, তবু এমন আচরণ করছে।” শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট ট্রায়াল কোর্টের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে আবেদন খারিজ করে দেয়।



