Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অভ্রদীপ দাস: বুধবার, ১ জুলাই, বাংলার রূপকার (WB Doctors Day) তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায়ের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী। এদিন রাজ্যজুড়ে পালিত হচ্ছে চিকিৎসক দিবস। এই আবহে সল্টলেকে চিকিৎসক দিবস উদযাপন করছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
অনুষ্ঠান চলাকালীন রাজ্যের মুখ্যসচিব জানান, “মুখ্যমন্ত্রী (WB Doctors Day) প্রথম দিন থেকে স্বাস্থ্য বিভাগে উন্নতির কথা ভাবছেন। স্বাস্থ্য পরিষেবা ৫ মাসে কিভাবে ভালো হয়, আয়ুষ্মান ভারত ১৫ দিনের মধ্যে দিল্লিতে আবেদন পাঠানো হবে যা জুলাই থেকেই কার্যকরী হবে।
একাধিক প্রকল্পের সূচনা (WB Doctors Day)
এছাড়াও একাধিক প্রকল্পের সূচনা করলেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী।
- ১. বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে নাম বদলে হলো বিধানচন্দ্র রায় মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতাল।
- ২. ১ জুলাই ২০২৬, ২০০ টি অতিরিক্ত অ্যাম্বুলেন্স চালু করা হলো। যা রাজ্যের বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নবজাতক গর্ভবতীদের পরিষেবা দেওয়ার কাজে ব্যবহার করা হবে।
- ৩. দুই জন বিধায়ককে নিক্স্যায় মিত্র সার্টিফিকেট প্রদান করা হলো।
- ৪. চার জন চিকিৎসককে সংবর্ধনা দেওয়া হল
- ক. ডাঃ সুবীর চ্যাটার্জি, পেডিয়াট্রিক সার্জারি। এনআরএস এ এই বিভাগের সার্জারি ইউনিট তৈরি।
খ. ডাঃ গীতা গাঙ্গুলী মুখার্জী, স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ।
গ. ডাঃ শান্তা দত্ত, ৪ টি পেটেন্ট এর অধিকারী
ঘ. প্রোফেসর সুকুমার মুখার্জী, মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক (WB Doctors Day) - ৫. বিনামূল্যে ১০% শয্যা বেসরকারি হাসপাতালে।
- ৬. নদীয়া ড্রাগ কন্ট্রোলের উদ্বোধন।
- ৭. জননী পোর্টাল মা ও শিশুর পরিষেবার জন্য
- ৮. প্রধানমন্ত্রী মাতৃ বন্দনা যোজনা উদ্বোধন।
- ৮. সরকারি হাসপাতালে নজরদারির জন্য স্বাস্থ্য ভবনে মনিটরিং কন্ট্রোল রুম চালু।
- ১০. পূর্ব বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়াতে আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির
বিধানচন্দ্র রায় সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী
চিকিৎসক দিবস সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিধানচন্দ্র রায় অনেক বাধা সত্ত্বেও মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। আমি বিধান চন্দ্র রায় সম্পর্কে পড়েছি জেনেছি। তার অনেক বক্তৃতা আমার মুখস্ত। জ্যোতি বাবুর একটা কথা মনে পড়ছে বিধানচন্দ্রকে নিয়ে। জ্যোতি বসু বলেছিলেন, যেখানেই আমি শুরু করতে যাচ্ছি, সেখানেই দেখতে পারছি ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায় শুরু করে গেছেন। আমি বলতে পারি, যেখানেই হাত দিচ্ছি সেখানেই ধ্বংসলীলা দেখতে পারছি।
রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, “ব্যাঙ্গালোর, চেন্নাই, হায়দরাবাদের সর্বত্র শুধু বাঙালি, দরিদ্র, দরিদ্র কেন এরাজ্যে চিকিৎসা দেওয়া যায় না? বাঙালি চিকিৎসকরা বড় বড় বিদেশের হাসপাতালে HOD হয়ে বসে আছেন। সেই বাংলার লোকই লাইনে দাঁড়িয়ে। অন্যরাজ্যের লোক হাতে আয়ুষ্মান ভারতের কার্ড নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, আর বাঙালি মানুষটা দেখছে।”
আরও পড়ুন: Murti River Erosion: মূর্তি নদীর ভয়াবহ ভাঙনে আতঙ্ক, বিপদের মুখে ডুয়ার্সের পর্যটন শিল্প
তিনি আরও বলেন, “কেন যোগতমের উদ্ধর্তন হবে না? বেহাল অবস্থার হাল ফেরাতে চিকিৎসা ব্যবস্থাকে উন্নত করতে হবে। চিকিৎসক ও তাদের নিরাপত্তার জন্য ন্যায় সংহিতার তৈরি হয়েছে। যে আতঙ্ক ও ভয়ের পরিবেশ ছিল, রেফার করার মানসিকতা তৈরি হয়েছিল, সেই ভয় কেটে গেছে ন্যায় সংহিতার মাধ্যমে।”


