Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সুপর্ণা ঘোষ: বাংলায় এবার যোগীরাজ্যের ধাঁচে (Baruipur Encounter) এনকাউন্টার। পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে বারুইপুর খুন ও ধর্ষণ কাণ্ডের অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। বারুইপুরে নাবালিকাকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ধৃত প্রভাস মণ্ডলের এনকাউন্টারকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
উত্তরপ্রদেশের সঙ্গে তুলনা মমতাপন্থী তৃণমূলের (Baruipur Encounter)
রাতের অন্ধকারে পুলিশি এনকাউন্টারে প্রভাসের (Baruipur Encounter) মৃত্যুর ঘটনাকে উত্তরপ্রদেশের সঙ্গে তুলনা করেন কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের নেত্রী তথা কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। অভিযুক্তের মুখ বন্ধ করতেই এই এনকাউন্টার, দাবি কালীঘাটপন্থী তৃণমূল সাংসদের
‘উদাহরণ’ তৈরি করল সরকার, মত বিজেপির (Baruipur Encounter)
বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Baruipur Encounter) বলেন, কোনও অপরাধীকে যে ছেড়ে রাখা যাবে না, কোনও রাজনৈতিক নেতার আশীর্বাদে কেউ বাঁচতে পারবে না, তা এই ঘটনা সেটা প্রমাণ করল।’’এই প্রশাসন কাউকে রেয়ার করার মতো প্রশাসন নয়, দাবি বিজেপি বিধায়ক কৌস্তব বাগচী।
পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন কংগ্রেসের
‘একজন অভিযুক্ত কিভাবে পুলিশ এর বন্দুক কেড়ে নিল? তাহলে কি পুলিশের উপযুক্ত ট্রেনিং নেই?’ এভাবে এনকাউন্টারের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
আরও পড়ুন: Aroop Biswas: খুনের চেষ্টার মামলায় স্বস্তি অরূপ বিশ্বাসের, অরূপকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ হাইকোর্টের
ঠিক কী ঘটেছিল?
প্রসঙ্গত, বারুইপুর ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডের তদন্তে নেমে প্রথমই প্রভাস মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাকে জেরা করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই উদ্ধার করা হয় নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ। পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনার পুনর্নিমাণ করতে প্রভাসকে নিয়ে যাওয়া হয় বারুইপুরের সূর্যপুরে অর্থাৎ অকুস্থলে। তদন্তকারীদের দাবি, সেই সময় পুলিশের বন্দুক হাতিয়ে তাঁদের লক্ষ্য করেই গুলি চালায় প্রভাস। চেষ্টা করে পালানোর। সেই সময় বাধ্য হয়ে গুলি চালায় পুলিশ। রক্তাক্ত অবস্থায় বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা প্রভাসকে মৃত বলে ঘোষণা করে।


